গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত, নিবন্ধন নং ১১৪
  1. অনিয়ম
  2. অন্যান্য
  3. অর্থ ও বাণিজ্য
  4. আইন-বিচার
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. কৃষি ও প্রকৃতি
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চাকরি
  11. জাতীয়
  12. ধর্ম
  13. নির্বাচন
  14. প্রবাসের খবর
  15. ফিচার
  16. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  17. বিনোদন
  18. বিশেষ প্রতিবেদন
  19. রাজনীতি
  20. শিক্ষাঙ্গন
  21. শেখ হাসিনার পতন
  22. সম্পাদকীয়
  23. সারাদেশ
  24. স্বাস্থ্য
  25. হট আপ নিউজ
  26. হট এক্সলুসিভ
  27. হাই লাইটস

তিউনিশিয়ার উপকূলে নৌকাডুবি : ১৩ তিউনিস অভিবাসনপ্রত্যাশী নিখোঁজ

Abdur Rahman Ayan
August 22, 2026 3:23 pm
Link Copied!

ভূমধ্যসাগরের তিউনিশিয়া উপকূলে নৌকাডুবির শিকার হয়ে নিখোঁজ হয়েছেন কমপক্ষে ১৩ জন তিউনিস নাগরিক। তিউনিশিয়ার মানবাধিকার মানবাধিকার সংস্থা তিউনিশিয়ান অবসরাভেটরি ফর হিউম্যান রাইটসের প্রধান নির্বাহী মোস্তফা আবদেলকেবির আজ শনিবার রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মোস্তফা আবেদেলকেবির জানান, গত ২০ আগস্ট বৃহস্পতিবার ১৫ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে ইতালি পৌঁছানোর উদ্দেশে তিউনিশিয়ার উপকূল থেকে রওনা দিয়েছিল ইঞ্চিনচালিত নৌকাটি; কিন্তু কিছুদূর অগ্রসর হওয়ার পর সেটি ডুবে যায় এবং ১৩ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী নিখোঁজ হন। বাকি ২ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। জীবতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

উদ্ধার অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বরাত দিয়ে তিউনিশিয়ার মানবাধিকার সংস্থার প্রধান জানান, ইঞ্জিন বিকল হয়ে ডুবে যাওয়ার আগে নৌকাটি কয়েক ঘণ্টা সাগরে ভাসছিল।

কয়েক বছর আগেও ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালি ও গ্রিসে যেতে ইচ্ছুক অভিবাসনপ্রত্যাশীদের কাছে জনপ্রিয় রুট ছিল তিউনিশিয়ার উপকূল; কিন্তু মানবপাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে দেশটির সরকারের কঠোর অভিযান এবং ইউরোপের অর্থায়ন ও প্রযুক্তি সহায়তার ভিত্তিতে সাগরে কোস্টগার্ড বাহিনীকে আরও বেশি সক্রিয় করে তোলায় গত দু’ বছরে তিউনিশীয় উপকূল থেকে মানবপাচার অনেক খানি নিয়ন্ত্রণে এসে গিয়েছিল।

তবে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং আরও কয়েক ডজন মানবাধিকার ও মানবিক সংস্থা গত মাসে এক বিবৃতিতে বলেছে যে, যে চুক্তির ভিত্তিতে তিউনিশিয়াকে অর্থ ও প্রযুক্তি সহায়তা দিচ্ছে ইউরোপীয় দেশগুলোর জোট ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ), সেটি তিউনিসিয়ায় অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থীদের বিরুদ্ধে গুরুতর নির্যাতনকে উস্কে দিয়েছে এবং স্বাভাবিক করে তুলেছে।

সংস্থাগুলো তিউনিসিয়ার নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে জড়িত অভিবাসন ও সীমান্ত-নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে অর্থায়ন স্থগিত করার জন্য ইইউ’কে আহ্বানও জানিয়েছে।

তিউনিসিয়া এই বিবৃতির বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি, তবে বারবার বলেছে যে তারা একটি বড় অভিবাসন প্রবাহের প্রধান শিকার হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট কাইস সাঈদ ২০২৩ সালে বলেছিলেন যে এই প্রবাহের লক্ষ্য হলো দেশের জনসংখ্যার গঠন পরিবর্তন করা।

ভূমধ্যসাগরের কেন্দ্রীয় পথটি বিশ্বের অন্যতম প্রাণঘাতী অভিবাসন পথ, যা আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের অভিবাসীরা ইউরোপে পৌঁছানোর জন্য ব্যবহার করে, প্রায়শই অতিরিক্ত ভিড়যুক্ত বা সমুদ্রযাত্রার অযোগ্য নৌকায়।

সূত্র : রয়টার্স

Abdur Rahman Ayan

সর্বমোট নিউজ: 155

Share this...
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি।
আরও দেখুন
সর্বশেষ
  • আমাদেরকে ফলো করুন…