গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত, নিবন্ধন নং ১১৪
  1. অন্যান্য
  2. অর্থ ও বাণিজ্য
  3. আইন-বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ধর্ম
  12. নির্বাচন
  13. প্রবাসের খবর
  14. ফিচার
  15. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  16. বিনোদন
  17. বিশেষ প্রতিবেদন
  18. রাজনীতি
  19. শিক্ষাঙ্গন
  20. শেখ হাসিনার পতন
  21. সম্পাদকীয়
  22. সারাদেশ
  23. স্বাস্থ্য
  24. হট আপ নিউজ
  25. হট এক্সলুসিভ
  26. হাই লাইটস

কোরবানির হাটে এবার দরপতন, রাজস্ব হারানোর শঙ্কায় চসিক

Link Copied!

কোরবানির ঈদ সামনে রেখে চট্টগ্রামে পশুর হাটের প্রস্তুতি জোরেশোরে চললেও এবার অস্থায়ী হাটগুলোর ইজারামূল্যে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে। স্থায়ী হাটগুলো থেকে ভালো রাজস্ব এলেও অস্থায়ী হাটে কম দর ও কোথাও কোথাও দরপত্র জমা না পড়ায় রাজস্ব আদায় নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মধ্যে। চসিকের অনুমোদিত ২২টি হাটবাজারের মধ্যে ৬টি পশুর হাট থেকে প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আসে। তবে এবার অস্থায়ী হাটগুলোর দর কমে যাওয়ায় বড় ধরনের ধাক্কার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

চসিক সূত্র জানায়, নগরের তিনটি স্থায়ী পশুর হাট ইজারা দিয়ে এবার প্রায় ১০ কোটি টাকা রাজস্ব পাওয়ার আশা করছে সংস্থাটি। এর মধ্যে নগরের বৃহত্তম সাগরিকা পশুর হাট ৮ কোটি ৮ লাখ ৫ হাজার ৭৮৬ টাকায় ইজারা নিয়েছেন ফজলে আলিম চৌধুরী। অন্যদিকে, মুরাদপুরের বিবিরহাট ইজারা হয়েছে ৬৮ লাখ ১০ হাজার টাকায়; যদিও গত বছর একই হাটের ইজারামূল্য ছিল ১ কোটি ১৬ লাখ টাকা। এছাড়া পোস্তারপাড় ছাগলের বাজার ইজারা দেওয়া হয়েছে ১ কোটি ২১ লাখ ৭৮ হাজার ৭৮৬ টাকায়।

এবার অস্থায়ী হাটে আশানুরূপ দর পাওয়া যায়নি। চসিকের তথ্য অনুযায়ী, কর্ণফুলী এলাকায় অস্থায়ী পশুর হাটে সর্বোচ্চ ২ কোটি ১২ লাখ টাকা দর উঠেছে। মুসলিমাবাদ মাঠের হাটে দর পাওয়া গেছে মাত্র ২ লাখ ১০ হাজার টাকা। অন্যদিকে ওয়াজেদিয়া হাটে কোনো দরপত্রই জমা পড়েনি। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২০২০ সালের পর এবারই অস্থায়ী হাটে সবচেয়ে কম দর পাওয়া গেছে।

হাট সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন, আগের তুলনায় পশুর হাটের ব্যবসায় লাভ অনেকটাই কমে গেছে। অনলাইনে পশু বিক্রি বেড়েছে, পাশাপাশি ভাগাভাগি করে কোরবানি দেওয়ার প্রবণতাও বেড়েছে। এতে বড় হাটগুলোতে ক্রেতার চাপ কমছে। এছাড়া পাড়া-মহল্লায় অনুমোদনহীন পশুর হাট বসায় বৈধ হাটগুলোতে ক্রেতা কমে যাচ্ছে বলে অভিযোগ ইজারাদারদের। অনেক ক্রেতা সরাসরি খামার থেকে পশু কিনতে আগ্রহী হওয়ায় হাটের ওপর নির্ভরতা কমেছে। অন্যদিকে নিরাপত্তা, সিসিটিভি, কর্মচারী নিয়োগ ও অবকাঠামো তৈরির খরচ বেড়ে যাওয়ায় ইজারাদারদের ব্যয়ও বেড়েছে।

সাগরিকা পশুর হাটের ইজারাদার ফজলে আলিম চৌধুরী তার শঙ্কার কথা জানিয়ে বলেন, ‘এত বড় অঙ্কের টাকা দিয়ে হাট নিয়েছি। এখন সেই টাকা উঠবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কা আছে। উত্তরবঙ্গ থেকে পর্যাপ্ত গরু না এলে বড় ধরনের লোকসান হতে পারে।’

অবৈধ পশুর হাটের বিষয়ে চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন বলেন, অনুমোদিত হাটের বাইরে কোথাও পশুর বাজার বসতে দেওয়া হবে না। অবৈধ হাট উচ্ছেদে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। তিনি আরও জানান, বৈধ হাটগুলোতে জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিন, সিসিটিভি ক্যামেরা, পশু চিকিৎসাসেবা ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারিও জোরদার করা হবে।

রাজস্ব হারানোর বিষয়ে জানতে চাইলে চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা এস এম সরওয়ার কামাল বলেন, অবৈধ হাটের কারণে প্রতিবছর রাজস্ব ক্ষতির পাশাপাশি যানজট, চাঁদাবাজি, অপরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা সমস্যা তৈরি হয়। তাই এবার অবৈধ হাট বন্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সিটি করপোরেশন।

Abdur Rahman Ayan

সর্বমোট নিউজ: 14

Share this...
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি।
আরও দেখুন
সর্বশেষ
  • আমাদেরকে ফলো করুন…