লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার মেঘনা নদীবেষ্টিত বিচ্ছিন্ন চর আবদুল্লাহতে ঘুরতে গিয়ে আটকা পড়া দেড় শতাধিক পর্যটককে উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের সহায়তায় তাঁদের নিরাপদে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়।
আজ শনিবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিলুফা ইয়াসমিন নিপা।
লক্ষ্মীপুরে মেঘনার চরে নারী-শিশুসহ আটকা দেড় শতাধিক পর্যটক
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদুল ফিতরের ছুটিতে লক্ষ্মীপুরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে পর্যটকরা রামগতির আলেকজান্ডার মেঘনা নদীর বেড়িবাঁধ এলাকায় ঘুরতে আসেন। এলাকাটি ‘মিনি কক্সবাজার’ হিসেবে পরিচিত হওয়ায় পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় থাকে। শুক্রবার বিকেলে কয়েকটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে করে নারী ও শিশুসহ দেড় শতাধিক পর্যটক নদীবেষ্টিত চর আবদুল্লাহতে ঘুরতে যান।
পর্যটকরা চরে পৌঁছানোর পরই হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। এতে মেঘনা নদী উত্তাল হয়ে পড়লে এবং আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় ট্রলার নিয়ে পর্যটকরা ফিরতে পারেননি। সন্ধ্যার পর তারা সেখানে আটকা পড়লে প্রশাসনের সাহায্য চান। খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন, থানা-পুলিশ ও নৌপুলিশ পর্যটকদের উদ্ধারে অভিযানে নামে। রাত সাড়ে ১২টার দিকে জোয়ার এলে পুলিশের সহায়তায় পর্যটকদের আলেকজান্ডার নিয়ে আসা হয়।
রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিটন দেওয়ান বলেন, চরে পর্যটক আটকা পড়ার খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়। নদী উত্তাল থাকায় পর্যটকরা ফিরতে পারছিলেন না। রাতে জোয়ার আসার পর তাঁদের নিরাপদে আলেকজান্ডার নিয়ে আসা হয়েছে। সবাই সুস্থ আছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিলুফা ইয়াসমিন নিপা বলেন, “আটকা পড়া পর্যটকদের নিয়ে আমরা বেশ উদ্বিগ্ন ছিলাম। তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ও নৌপুলিশের সহায়তায় তাঁদের উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া পর্যটকরা সবাই নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে গেছেন।


