গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত, নিবন্ধন নং ১১৪
  1. অনিয়ম
  2. অন্যান্য
  3. অর্থ ও বাণিজ্য
  4. আইন-বিচার
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. কৃষি ও প্রকৃতি
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চাকরি
  11. জাতীয়
  12. ধর্ম
  13. নির্বাচন
  14. প্রবাসের খবর
  15. ফিচার
  16. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  17. বিনোদন
  18. বিশেষ প্রতিবেদন
  19. রাজনীতি
  20. শিক্ষাঙ্গন
  21. শেখ হাসিনার পতন
  22. সম্পাদকীয়
  23. সারাদেশ
  24. স্বাস্থ্য
  25. হট আপ নিউজ
  26. হট এক্সলুসিভ
  27. হাই লাইটস

লাইসেন্স জটিলতায় সংকটে এলপিজি অটোগ্যাস খাত, নীতিমালা সহজ করার দাবি

Link Copied!

জটিল নীতিমালা, দীর্ঘসূত্রতা ও বিভিন্ন দপ্তরের অনুমোদন প্রক্রিয়ার কারণে এলপিজি খাতের উদ্যোক্তারা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন। এসব ভোগান্তি নিরসনে ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালু এবং ডিজিটাল লাইসেন্সিং ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (লোয়াব)।

রোববার (১৭ মে) বিইআরসি ভবনে এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার ও লোয়াব আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে এ দাবি জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ, বুয়েটের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ইয়াসির আরাফাত খান, বিইআরসি সদস্য (পেট্রোলিয়াম) সুলতানা রাজিয়া, এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ারের সম্পাদক মোল্লা আমজাদ প্রমুখ।

বক্তব্যে লোয়াব প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আমিরুল হক বলেন, দেশে যখন প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ কমে যায়, তখন সরকার ২০০৯/২০১০ সাল নাগাদ নতুন সিএনজি স্টেশন এবং গৃহস্থালি সংযোগ বন্ধ করে দিল। সে সময় বিকল্প হিসাবে এলপিজি অটোগ্যাস ব্যবহার বাড়তে থাকল। কিন্তু প্রয়োজনীয় নীতিমালা না থাকায় তেমন একটা প্রসার হয়নি, ২০১৫ সাল পর্যন্ত সারা দেশে মাত্র ১৫/২০টা এলপিজি অটোগ্যাস স্থাপন হয়েছে।

‘প্রাকৃতিক গ্যাসের সংকট দিনদিন তীব্র হতে থাকলে এবং তার বিপরীতে রান্নার কাজে এলপিজি ব্যবহার জনপ্রিয় হলে ২০১৫-১৬ সালের দিকে সরকার সিদ্ধান্ত নিল যে যানবাহনে এলপিজি ব্যবহার করলে সিএনজি স্টেশনের উপর চাপ কমবে এবং জনগণ সাশ্রয়ী এবং পরিবেশ বান্ধব জ্বালানি হিসাবে গাড়িতে এলপিজি ব্যবহার করবে। এই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে এলপিজি অটোগ্যাস স্টেশন স্থাপন ও পরিচালনা নীতিমালা-২০১৬ প্রণয়ন করা হয় এবং উদ্যোক্তাদের এলপিজি অটোগ্যাস স্থাপনে উৎসাহিত করা হয়।’

তিনি বলেন, নীতিমালা প্রণয়ন পর খুব অল্প সময়ের মধ্যে প্রায় ১ হাজার এলপিজি অটোগ্যাস স্থাপনের জন্য বিস্ফোরক পরিদপ্তর থেকে নকশা অনুমোদন দেওয়া হয়, যার অধিকাংশই বাস্তবায়ন হয়। নীতিমালা অনুসারে প্রথমে নকশা অনুমোদন নিতে হয় এবং ১২-১৮ মাসের মধ্যে মেশিনারিজ স্থাপন করতে হয়। স্থাপন করার পর বিস্ফোরক পরিদপ্তর এবং তারপর বিইআরসি থেকে লাইসেন্স নিতে হয়।

লোয়াব প্রেসিডেন্ট বলেন, প্রধান সমস্য হলো নীতিমালা অনুযায়ী নকশা/প্রাথমিক অনুমোদনের যে শর্তাবলি, সেগুলো অনুসরণ করা অনেকটা অসম্ভব ছিল এবং বাস্তবে অনুসরণ হয়নি। স্টেশন স্থাপনের পর লাইসেন্স নিতে গিয়ে ২০২১/২২ সালের পর থেকে যখন বিস্ফোরক প্রধান হিসাবে মন্ত্রণালয় থেকে নিয়োগ দেওয়া শুরু হয়েছে, তখন থেকে লাইসেন্স পাওয়া সাধারণ উদ্যোক্তাদের নাগালের বাইরে চলে গেল।

তিনি বলেন, বর্তমানে প্রায় ৭০০ অটোগ্যাস স্টেশন বিস্ফোরক এবং বিইআরসির লাইসেন্সবিহীন অবস্থায় আছে, যা অতি দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন। নীতিমালা ও বিধিমালার শর্তাবলি পালন করে স্টেশন স্থাপন ও পরিচালনা করা বাস্তবে প্রায় অসম্ভব। বর্তমানে প্রাথমিক নকশা অনুমোদন পেতে বছরের পর বছর বিস্ফোরক পরিদপ্তর, সড়ক ও জনপথ, ডিসি অফিস, ফায়ার সার্ভিস, পরিবেশ অধিদপ্তর ইত্যাদি দপ্তরে দপ্তরে ঘুরতে হয়, যার ফলে সময় নষ্ট এবং বিনিয়োগের বড় অংশ বিবিধ খরচ হিসাবে ব্যয় হয়ে যায়।

বৈঠক লোয়াবের পক্ষ থেকে যেসব সুপারিশ জানানো হয় সেগুলো হলো-

১. এলপিজি নীতিমালা ও বিধিমালা বাস্তবতার আলোকে সংশোধন করে নকশা অনুমোদন ও লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া হয়রানিমুক্ত ও সহজ করা।

২. একটা রেগুলেটরি অথরিটি নির্ধারণ করে তার অধীনে সব ধরনের ফিলিং স্টেশনের জন্য একটা সেল/দপ্তর গঠন করে ওয়ান স্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে সেবা দেওয়া।

৩. উন্নত দেশের মতো অটোমেশন করে ডিজিটাল লাইসেন্সিং সেবা দেওয়া, অর্থাৎ যাবতীয় শর্তাবলি পূরণ সাপেক্ষে কোনো ধরনের ডেস্কের শরণাপন্ন হওয়া ছাড়ায় লাইসেন্স বের হবে।

৪. কোনো অপারেটর এলপিজি আমদানি ও সরবরাহ করতে না পারলে স্টেশন মালিক যাতে অন্য অপারেটর থেকে সহজে এলপিজি নিতে পারে, এজন্য ডিলারশিপ চুক্তির মধ্যে শর্ত শিথিল থাকা নিশ্চিত করা।

Abdur Rahman Ayan

সর্বমোট নিউজ: 23

Share this...
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি।
আরও দেখুন
সর্বশেষ
  • আমাদেরকে ফলো করুন…