বন অধিদপ্তরের দেড় হাজার কোটি টাকার ‘টেকসই বন ও জীবিকা’ (সুফল) প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে নথিপত্র সংগ্রহ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী ও প্রকল্প পরিচালক গোবিন্দ রায়সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এই দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলামের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, গত বছরে বন অধিদপ্তরে বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ একটি অভিযান পরিচালনা করে। পরে অভিযোগগুলোর একটি অনুসন্ধান শুরু করে।
তিনি বলেন, অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা বন অধিদপ্তরে রেকর্ডপত্র তলব করেছেন। বন অধিদপ্তরের তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।
দুদক সূত্রে জানা যায়, বন অধিদপ্তরের দেড় হাজার কোটি টাকার সুফল প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে নথিপত্র সংগ্রহ করেছে দুদক। ২০১৮ সালে ‘টেকসই বন ও জীবিকা’ শীর্ষক ‘সুফল’ প্রকল্প গ্রহণ করে বন অধিদপ্তর। দেড় হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্পটি বন মন্ত্রণালয়ের সবচেয়ে বড় উদ্যোগ। দুদকের অভিযোগ- প্রকল্পটির মাঠপর্যায়ের সর্বত্রই ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে।
সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুদক অভিযান চালিয়ে কাগজে-কলমে কাজ দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের প্রাথমিক প্রমাণ পায়। এতে সাবেক বনমন্ত্রী শাহাব উদ্দিন, প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী, প্রকল্প পরিচালক গোবিন্দ রায়সহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠে আসে।
সংস্থাটি বলছে, সুফল প্রকল্পের দুর্নীতির সব নথিপত্র সংগ্রহ করেছে অনুসন্ধানকারী দল। যাচাই-বাছাই শেষে তারা পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
এর আগে সাবেক বনমন্ত্রী শাহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক। ইতোমধ্যে শাহাব উদ্দিন ও তার ছেলে জাকির হোসেন জুমনের উত্তরায় ৫ কাঠা জমি ও ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে দুদক।

