রাজধানীর সায়েন্সল্যাবের শিরিন ম্যানশনের তৃতীয় তলায় বিস্ফোরণের ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহারের আলামত পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে সেনাবাহিনীর ৫৭ ইঞ্জিনিয়ার কোম্পানি কমান্ডিং অফিসার মেজর মোঃ কায়সার বারী।
রবিবার (৫ মার্চ) বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।
মেজর মোঃ কায়সার বারী আরও বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে বিস্ফোরক শনাক্তকরণ যন্ত্রণ দিয়ে ঘটনাস্থলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছি। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের পর আমরা বুঝতে পারি এ বিস্ফোরণ বিস্ফোরক দ্রব্যের মাধ্যমে সংঘটিত হয়নি। যদি বিস্ফোরণের ঘটনায় কোনো বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করা হতো তাহলে আমাদের যন্ত্রণের মাধ্যমে সেটা বুঝতে পারতাম।
আরও পড়ুন- রোকাইয়াকে বাঁচাতে প্রয়োজন ৪ লাখ টাকা
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা যেকোনো ধরনের বিস্ফোরণ হতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ জানার জন্য আমাদের আরও তদন্ত করতে হবে। আমরা যেহেতু বিস্ফোরক শনাক্ত করি আমাদের যন্ত্র দিয়ে, তাই প্রাথমিকভাবে আমরা বলতে পারি এখানে বিস্ফোরক দ্রব্যের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। এখানে বারুদ বা আইইডি ব্যবহারের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। বিস্ফোরণের আসল কারণ আরও তদন্ত শেষে পরে জানা যাবে।
এর আগে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে দুপুর আড়াইটায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক জানান, রাজধানীর সায়েন্সল্যাব এলাকার ভবনে বিস্ফোরণ নাশকতা নয়, এটি একটি দুর্ঘটনা তিনি বলেন, বিস্ফোরণের ঘটনাটি বিভিন্ন কারণে ঘটতে পারে। সেটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
আজ রবিবার সকাল ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে সায়েন্সল্যাব মোড় থেকে নিউমার্কেটের দিকে যাওয়ার পথে প্রিয়াঙ্গন শপিং মলের পাশের ভবনে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের ঘটনায় তিনজন নিহত ও ১৪ আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে আটজনকে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া বাকি ছয়জনকে শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।




