প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “এটা জাতির জন্য পরিহাসের বিষয় যে খুনিদের পৃষ্ঠপোষকরা এখন গণতন্ত্র ও মানবাধিকার নিয়ে বক্তব্য দিচ্ছে।” এসময় তিনি বলেন, “১৯৭৫ সালের পর যারা ক্ষমতায় এসেছেন, তারা সকলেই খুনিদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন।”
মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) শেখ রাসেল দিবস ও শেখ রাসেল পদক এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৯তম জন্মদিন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন যে, ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন না করা পর্যন্ত তাকে ও তার বোন শেখ রেহানাকে তাদের পরিবারের সদস্যদের হত্যার বিচার চাইতে দেওয়া হয়নি।
শেখ হাসিনা বলেন, “১৯৭৫ সালের পর যারা ক্ষমতায় এসেছেন; জিয়াউর রহমান, জেনারেল এরশাদ ও খালেদা জিয়া, তারা সকলেই খুনিদের পৃষ্ঠপোষকতা ও পুরস্কৃত করেছেন।”
আরও পড়ুন- কুড়িগ্রামে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার স্ত্রীর আত্মহত্যা
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আধুনিক ও প্রযুক্তিভিত্তিক জ্ঞানে সজ্জিত করার সরকারি পদক্ষেপের অংশ হিসেবে, পাঁচ হাজার শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব ও ৩০০ শেখ রাসেল স্কুল অফ ফিউচার উদ্বোধন করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাসেলের শৈশব তুলে ধরে, ‘দুরন্ত প্রাণবন্ত শেখ রাসেল’ নামের একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।
এসময় অনুষ্ঠানে নোবেল শান্তি বিজয়ী ও বিখ্যাত শিশু অধিকার কর্মী কৈলাশ সত্যার্থীর একটি ভিডিও বার্তা, একটি অ্যানিমেটেড সিনেমা ‘আমাদের ছোট রাসেল সোনা’ এর ট্রেলার, শেখ রাসেলের ওপর একটি ভিডিও তথ্যচিত্র এবং শেখ রাসেল দিবস উপলক্ষে একটি থিম সং পরিবেশিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
শেখ রাসেল ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর ধানমন্ডি-র বঙ্গবন্ধু ভবনে জন্মগ্রহণ করেন। গত বছর বাংলাদেশ সরকার জাতীয়ভাবে দিবসটি পালনের জন্য ‘ক’ ক্যাটাগরিতে ১৮ অক্টোবর-কে শেখ রাসেল দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।



