গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত, নিবন্ধন নং ১১৪
  1. অনিয়ম
  2. অন্যান্য
  3. অর্থ ও বাণিজ্য
  4. আইন-বিচার
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. কৃষি ও প্রকৃতি
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চাকরি
  11. জাতীয়
  12. ধর্ম
  13. নির্বাচন
  14. প্রবাসের খবর
  15. ফিচার
  16. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  17. বিনোদন
  18. বিশেষ প্রতিবেদন
  19. রাজনীতি
  20. শিক্ষাঙ্গন
  21. শেখ হাসিনার পতন
  22. সম্পাদকীয়
  23. সারাদেশ
  24. স্বাস্থ্য
  25. হট আপ নিউজ
  26. হট এক্সলুসিভ
  27. হাই লাইটস

লক্ষ্মীপুরে কানের দুলের জন্য শিশু হত্যা : নারীর আমৃত্যু কারাদন্ড

Link Copied!

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে স্বর্ণের কানের দুল খুলে নেওয়ার সময় মুখ চেপে স্কুলছাত্রী হত্যায় রুনা আক্তার আঁখির নামের এক নারীকে আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তার ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার (২০ মার্চ) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এ রায় দিয়েছেন। জানা গেছে, ঘটনার তিন মাস আগেই রুনা ও এমরান সাগরদি গ্রামের কাতার প্রবাসী আবুল কাশেমের বাড়িতে ভাড়া আসেন।

লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) জসিম উদ্দিন জানান, তিন আনা স্বর্ণের কানের দুলের লোভে স্কুলছাত্রী পপিকে হত্যা করে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। রুনার স্বামীও এ মামলার আসামি ছিলেন। তিনি হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। এতে আদালত তাকে বেকসুর খালাস দেন। রায়ের সময় তারা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

খালাসপ্রাপ্ত এমরান গাছ কাটার শ্রমিক ছিলেন। তিনি উপজেলার কেরোয়া ইউনিয়নের পূর্ব কেরোয়া গ্রামের নুরুল আমিনের ছেলে। রুনা ওই গ্রামের আবদুল মতিনের মেয়ে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ২ সেপ্টেম্বর সকালে প্রাইভেট পড়ে এসে বাড়ির পাশেই পপি খেলছিল। তখন রুনা তাকে ডেকে ঘরে নিয়ে যান। একপর্যায়ে তার কানের দুলগুলো খুলে নেয় রুনা। এতে পপি কান্না শুরু করে। কান্নার শব্দ যেন কেউ শুনতে না পায় এজন্য তার মুখ-গলা চেপে ধরলে পপি মারা যায়। পরে তার মরদেহ চৌকির নিচে লুকিয়ে রাখা হয়। বাড়ি ফিরলে রুনা তার স্বামীকে বিষয়টি জানায়। এতে পপির মরদেহ গুম করার পরিকল্পনা করে তারা। পরে ঘরের দুটি দরজার ১টির বাইরে তালা ও অন্যটি ভেতর দিয়ে আটকে রেখা রুনা ও এমরান ঘরে অবস্থান করে।

এদিকে ভাত খাওয়ানোর জন্য পপিকে তার মা ববিতা রানী সাহা ডাকলেও কোনো সাড়া পাচ্ছিল না। আশপাশসহ সম্ভাব্য স্থানে খুঁজেও তাকে পাওয়া যাচ্ছিল না। অন্যদিকে দুপুরে রুনা ও এমরানের ঘর বন্ধ দেখে লোকজনের সন্দেহ হয়। এক নারী জানালার ফাঁক দিয়ে ঘরের ভেতর তাদের দেখতে পায়। পরে দরজা ভেঙে লোকজন ঘরে ঢুকে। এসময় রুনা ও তার স্বামী পালাতে গেলে লোকজন আটক করে।

পরে চৌকির নিচে তাকালে বাম দিকে ঘাড় বাকানো অবস্থায় পপিকে বসে থাকতে দেখা যায়। তাকে বের করতে গেলে বুঝা যায় পপির নিথর দেহ কৌশলে চৌকির নিচে বসিয়ে রাখা হয়েছে। স্থানীয় লোকজন অভিযুক্তদের বাড়ির সামনে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে।ওইদিন রাতে ববিতা বাদী হয়ে রায়পুর থানায় মামলা দায়ের করেন। পরদিন রুনা ও এমরানকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

শীর্ষ সংবাদ ডেস্ক

শীর্ষ সংবাদ ডেস্ক

শীর্ষ সংবাদ ডেস্ক

সর্বমোট নিউজ: 1081

Share this...
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি।
আরও দেখুন
সর্বশেষ
  • আমাদেরকে ফলো করুন…