রাজধানীর গণপরিবহনে সদ্য যোগ হওয়া মেট্রোরেলে ভ্রমণ করতে তিন বন্ধুকে নিয়ে সকাল ১০টায় লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন টঙ্গীর বাসিন্দা জসিম উদ্দিন। প্রায় দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করেও ঢুকতে পারেননি উত্তরা স্টেশনে, কিনতে পারেননি টিকিট। আজ বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) যাত্রীদের জন্য প্রথম চালু হওয়া মেট্রোতে আর ওঠা হয়নি তাদের।
ঢাকার বাইরে থেকে অনেক যাত্রী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এসেও মেট্রোরেলে উঠতে না পেরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা।
নোয়াখালী থেকে আগত এক যাত্রী ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, মেট্রোরেলে চলার জন্য নোয়াখালী থেকে এসেছি। বেলা ১২টার সময় গেট বন্ধ হওয়ার কথা থাকলেও বেলা সাড়ে ১১টায় গেট বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। এতে আমরা ঢাকার বাইরে থেকে এসেও মেট্রোরেলে উঠতে পারিনি।
কুমিল্লা থেকে আগত একজন বলেন, নিরাপত্তার জন্য সেনাবাহিনী দেয়া উচিত। এখানে আনসার এবং পুলিশ দিয়ে হচ্ছে না।
আরও পড়ুন- ৮০ শতাংশ বই নিয়ে উৎসবের প্রস্তুতি
বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার সময় মেট্রোরেলে জনসাধারণের চলার জন্য গেট খুলে দেয়া হয়। এরপর থেকেই টিকিট কেটে যাত্রীরা চলাচল শুরু করেন।
জানা গেছে, প্রথমদিকে মেট্রোরেল চলবে সীমিত পরিসরে, সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত, দিনে ৪ ঘণ্টা। মাঝপথে কোথাও থামবে না। প্রথমদিকে ১০ মিনিট পরপর ট্রেন চলবে। আপাতত প্রতি মঙ্গলবার বন্ধ থাকবে মেট্রোরেল। সেই সঙ্গে আগামী ২৬ মার্চ থেকে উত্তরা-আগারগাঁও রুটে মেট্রোরেল পুরোদমে চলবে। সেদিন থেকে সব স্টেশনে থেমে যাত্রী তুলবে। পুরোদমে চলাচল শুরু হলে চলবে ভোর থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত। যাত্রীর অভ্যস্ততার জন্য ধাপে ধাপে পথের সাতটি স্টেশনে যাত্রাবিরতি করবে যাত্রী ওঠানামার জন্য। তখন ১৭ মিনিট সময় লাগবে। এর মধ্যে যাত্রা বিরতির ১০ মিনিট। ট্রেনের সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ২ হাজার ৩০৮ জন হলেও আপাতত ২০০ যাত্রী নিয়ে চলবে।



