ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে চাঁদা দাবির মিথ্যা তথ্য দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বাঞ্ছারামপুর পৌর যুবদলের আহ্বায়ক ঈমান আলী।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তাকে জড়িয়ে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি এর নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের কাছে বিচার দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্যে ঈমান আলী জানান, গত ২২ জুলাই বুধবার বিকেলে বাঞ্ছারামপুর সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা অসুস্থ রোগীদের মধ্যে ঝামেলার খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। সেখানে গিয়ে জানতে পারেন, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ফরদাবাদ ইউনিয়নের যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জামাল হোসেন ও সলিমাবাদ ইউনিয়নের মিরপুর গ্রামের আকাশ নামে দুটি পক্ষের মধ্যে প্রবাস সংক্রান্ত পাওনা টাকা নিয়ে বাগ্বিতণ্ডা চলছিল।
বিষয়টি অবহিত হয়ে ইমান আলী সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ জানান।
বাঞ্ছারামপুর পৌর যুবদলের আহ্বায়কের ইমান আলী সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেন, সেখানে অবস্থানরত সাংবাদিক মোল্লা নাসির উদ্দিন দুলাল, কথিত সাংবাদিক শামীম শিবলী সহ আরো কয়েকজন সাংবাদিক তাঁর ওপর অন্যায্যভাবে চড়াও হয়ে মব সৃষ্টি করার চেষ্টা চালান।
পরবর্তীতে তিনি সেখান থেকে বাড়ি ফিরে দেখেন, একটি চক্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন পেইজ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে ৭০ লাখ টাকার চাঁদা দাবির সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও বানোয়াট অভিযোগ এনে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে নিজের ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে ঈমান আলী বলেন, “কোনো প্রকার তথ্য-প্রমাণ বা সত্যতা যাচাই ছাড়াই নামে-বেনামে খোলা ভুঁইফোঁড় ফেসবুক পেইজ থেকে আমার নামে এমন প্রপাগান্ডা ছড়ানো হয়েছে, যা অত্যন্ত মানহানিকর। রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করতেই একটি কুচক্রী মহল এ ধরনের অপপ্রচার চালিয়েছে। কোনো প্রমাণ ছাড়াই কীভাবে আমার ওপর চাঁদাবাজির মিথ্যা দায় চাপিয়ে মানহানি করা হলো? আমি রাষ্ট্রের কাছে এর সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চাই।”

