গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত, নিবন্ধন নং ১১৪
  1. অনিয়ম
  2. অন্যান্য
  3. অর্থ ও বাণিজ্য
  4. আইন-বিচার
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. কৃষি ও প্রকৃতি
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চাকরি
  11. জাতীয়
  12. ধর্ম
  13. নির্বাচন
  14. প্রবাসের খবর
  15. ফিচার
  16. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  17. বিনোদন
  18. বিশেষ প্রতিবেদন
  19. রাজনীতি
  20. শিক্ষাঙ্গন
  21. শেখ হাসিনার পতন
  22. সম্পাদকীয়
  23. সারাদেশ
  24. স্বাস্থ্য
  25. হট আপ নিউজ
  26. হট এক্সলুসিভ
  27. হাই লাইটস

লক্ষ্মীপুরে একই পরিবারের ৪ জনের জানাজা শেষে দাফন : শোকের মাতম

Link Copied!

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া এলাকায় এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাতে মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে একটি দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি প্রাইভেটকারকে পেছন থেকে সজোরে ধাক্কা দিলে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে চারজনের বাড়ি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চরশাহী ইউনিয়নের তিতারকান্দি গ্রামে। একই পরিবারের চার সদস্যকে হারিয়ে এলাকায় এখন শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।

আজ শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকালে নিহতদের মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। জুমার নামাজের পর তিতারকান্দি গ্রামে নিহত মুফতি আবদুল মমিনসহ পরিবারের চার সদস্যের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে শ্বশুরবাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তাঁদের দাফন সম্পন্ন করা হয়।

নিহতরা হলেন— খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমাদের ভগ্নিপতি মুফতি আব্দুল মমিন, তাঁর বোন ঝর্ণা বেগম, ভাগনি লাবিবা ও ভাগনে আবরার। এ ছাড়া প্রাইভেটকার চালক জামালও (পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি) এই দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। এই মর্মান্তিক ঘটনায় পরিবারের শিশু আরশাদ গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পুলিশ ও নিহতের স্বজন মাওলানা ফয়সাল জানান, মুফতি আবদুল মমিন পেশায় একজন শিক্ষক। তিনি দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে পরিবার নিয়ে লক্ষ্মীপুরে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করছিলেন। ঢাকায় চাকরির সুবাদে পবিত্র ঈদুল ফিতর কাটাতে সপরিবারে শ্বশুরবাড়িতে এসেছিলেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুর থেকে প্রাইভেটকারযোগে তাঁরা ঢাকার দিকে ফিরছিলেন। গাড়িটি বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া এলাকার মিয়ামি হোটেলের সামনে পৌঁছালে পেছন থেকে আসা চট্টগ্রামগামী ‘স্টার লাইন’ পরিবহনের একটি বাস সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে প্রাইভেটকারটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই চারজনের মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে ময়নামতি হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে। আহতদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়। বর্তমানে আরশাদ নামে এক শিশু আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।

ময়নামতি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মবিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার পর ঘাতক বাসের চালক পালিয়ে গেলেও বাসটি জব্দ করা হয়েছে। নিহতদের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পলাতক চালককে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Editor

Editor

সম্পাদক

সর্বমোট নিউজ: 339

Share this...
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি।
আরও দেখুন
সর্বশেষ
  • আমাদেরকে ফলো করুন…