গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত, নিবন্ধন নং ১১৪
  1. অনিয়ম
  2. অন্যান্য
  3. অর্থ ও বাণিজ্য
  4. আইন-বিচার
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. কৃষি ও প্রকৃতি
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চাকরি
  11. জাতীয়
  12. ধর্ম
  13. নির্বাচন
  14. প্রবাসের খবর
  15. ফিচার
  16. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  17. বিনোদন
  18. বিশেষ প্রতিবেদন
  19. রাজনীতি
  20. শিক্ষাঙ্গন
  21. শেখ হাসিনার পতন
  22. সম্পাদকীয়
  23. সারাদেশ
  24. স্বাস্থ্য
  25. হট আপ নিউজ
  26. হট এক্সলুসিভ
  27. হাই লাইটস

অপরিকল্পিত ড্রেন নির্মাণে দুর্ভোগে পৌরবাসী

Link Copied!

রায়পুর শহরে চলমান ড্রেন নির্মাণকাজ এখন জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অপরিকল্পিত ভাবে দীর্ঘদিন ধরে কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় ভাঙাচোরা রাস্তা, কাদা আর ধুলোয় নাকাল স্থানীয় বাসিন্দারা। জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্দেশে দুই বছর আগে নতুন বাজার মহিলা কলেজ সড়ক এলাকায় ড্রেন নির্মাণের কাজ শুরু হলেও তা আজ শেষ হয়নি।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হওয়ায় ইতোমধ্যে তিন দফা প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

পৌর অফিস থেকে জানা যায়, পৌর শহরের নতুন বাজার এলাকার সড়ক সংস্কার ও ড্রেনেজ নির্মাণ প্রকল্পে ১২ কোটি ৬০ লাখ টাকার উন্নয়নের নামে মাসের পর মাস ধরে খোঁড়াখুঁড়ি চলছে। দুই বছর আগে মেসার্স রহমান ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠানটি ড্রেন নির্মাণের কাজ শুরু করলেও শেষ হয়নি সময়মতো।

ফলে রাস্তা ভেঙে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এতে সড়কটিতে বর্ষা মৌসুমে কাদা ও হাঁটুপানিতে চলাচল দুর্বিষহ হয়ে ওঠে, আর শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালি ও নিত্য যানজটে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ। ফলে বর্তমানে সাধারণ মানুষ এই সড়ক এড়িয়ে চলাচল করায় ক্রেতা কমে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়ছেন। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে স্কুলগামী শিশু, নারী ও বয়স্করা। খোঁড়া রাস্তায় প্রতিদিন দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে বাসা-বাড়ী থেকে বের হতে হচ্ছে তাদের।

স্থানীয়রা জানান, কাজ শুরু করেছে অনেক দিন, কিন্তু শেষের কোনো নাম নেই। বৃষ্টি হলে কাদা, শুকনা মৌসুমে ধুলো আমাদের জীবন অতিষ্ঠ। তাদের অভিযোগ, কাজের ধীরগতি ও তদারকির অভাবই এই দুর্ভোগের মূল কারণ। দীর্ঘদিন ধরে কাজের অগ্রগতি না থাকায় এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্যে মারাত্মক ধস নেমেছে।

পৌরসভার প্রকৌশলী মো: কামরুল হাসান বলেন, প্রায় দুই বছর আগে ঠিকাদার কাজটি শুরু করেন। কাজের ধীরগতির কারণে একাধিকবার সময় বাড়ানো হয়েছে। এবারও নতুন করে সময় দেওয়া হয়েছে। তবেবর্তমান অগ্রগতি মাত্র ৪০ থেকে ৪২ শতাংশ হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা কঠিন। তারপরও পৌরবাসীর দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে।

Editor

Editor

সম্পাদক

সর্বমোট নিউজ: 305

Share this...
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি।
আরও দেখুন
সর্বশেষ
  • আমাদেরকে ফলো করুন…