নির্বাচনে জিতলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানই দেশের ভবিষ্যৎ “প্রধানমন্ত্রী” হবেন বলে উল্লেখ করেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার (৯ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) জাতীয় সম্মেলনে যোগ দিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।
লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হওয়া তারেক রহমানকে “ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী” হিসেবে সম্বোধন করে দেশের স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন মির্জা ফখরুল।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, “ডা. ফরিদ আমার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ একজন চিকিৎসক আমার স্ত্রীর চিকিৎসক এবং আমি তার কাছে অত্যন্ত ঋণী। উনি আমাকে বলছিলেন, উনি যে বিষয়টার ওপর বিশেষজ্ঞ, বিলাত থেকে এসে এখানে তিনি ক্যান্সারের ওপরে যে কাজগুলো করতে চান, সেই কাজগুলো করতে পারছেন না। মেধাবী চিকিৎসক নিয়ে এখানে একটা সেন্টার গড়ে তুলতে চান, যেটা হবে ‘সেন্টার অব এক্সেলেন্স’। কিন্তু সেটা করতে পারছেন না।”
মির্জা ফখরুল বলেন, “আজকে আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মহোদয় শুধু নয়, আমাদের ভবিষ্যৎ নেতা, ভবিষ্যৎ কাণ্ডারী, ভবিষ্যতে আমাদের প্রধানমন্ত্রী আজকে এখানে বসে আছেন। আমি তার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই, আমাদের এই নেতা আমাদের ভবিষ্যতের প্রধানমন্ত্রী, তার দৃষ্টিতে এটা আনতে চাই। তার স্ত্রীও (জুবাইদা রহমান) একজন প্রখ্যাত চিকিৎসক, এখান (ঢাকা) থেকে তিনি গ্রাজুয়েশন করেছেন…এই বিষয়টার দিকে তিনি অত্যন্ত বেশি গুরুত্ব দেবেন। কারণ ১৮ কোটি মানুষের স্বাস্থ্য সেবা এটা বড় বিশাল একটা দায়িত্ব বলে আমি মনে করি।”
এ সময়ে পুরো মিলনায়তন তুমুল করতালি দিয়ে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানাতে থাকে।
ওষুধ নীতি প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, “ওষুধ নীতি বিশেষ করে যারা ওষুধ তৈরি করেন- তারা দুই দিন আগে আমার কাছে এসেছিলেন, দেয়ার ইন সিরিয়াস ক্রাইসিস (সেখানে চরম সংকট চলছে)। বর্তমান সরকারের যিনি সহকারী উপদেষ্টা আছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের, তিনি এমন কতগুলো ব্যবস্থা বা আইন দিচ্ছেন যাতে করে ইন্ডাস্ট্রি বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। এই যে বিষয়গুলো কিন্তু আমাদের অ্যাড্রেস করতে হবে।”
ঢাকার কাকরাইলে উইলন্স লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজ মিলনায়তনে বিএনপির চিকিৎসক সংগঠন “ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ- ড্যাব” এর জাতীয় কাউন্সিল-২০২৫ এর আয়োজন হয়। এই কাউন্সিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।





