গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত, নিবন্ধন নং ১১৪
  1. অনিয়ম
  2. অন্যান্য
  3. অর্থ ও বাণিজ্য
  4. আইন-বিচার
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. কৃষি ও প্রকৃতি
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চাকরি
  11. জাতীয়
  12. ধর্ম
  13. নির্বাচন
  14. প্রবাসের খবর
  15. ফিচার
  16. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  17. বিনোদন
  18. বিশেষ প্রতিবেদন
  19. রাজনীতি
  20. শিক্ষাঙ্গন
  21. শেখ হাসিনার পতন
  22. সম্পাদকীয়
  23. সারাদেশ
  24. স্বাস্থ্য
  25. হট আপ নিউজ
  26. হট এক্সলুসিভ
  27. হাই লাইটস

মেঘনার জোয়ার ও বৃষ্টিতে ডুবল ফসল, দিশেহারা কৃষক

Link Copied!

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মেঘনা নদীর অস্বাভাবিক জোয়ার ও টানা বৃষ্টিতে উপকূলীয় চরাঞ্চলের কয়েক হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান, সয়াবিন, পান ও সবজি খেত তলিয়ে গেছে। এতে চরম লোকসানের মুখে পড়েছেন চরাঞ্চলের কয়েক হাজার কৃষক। তিন দিন ধরে বৈরী আবহাওয়ার কারণে ধান কাটা বন্ধ রয়েছে। দ্রুত পানি না নামলে খেতের অবশিষ্ট ফসলও পুরোপুরি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

লক্ষ্মীপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৬০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিন এমন ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। বৃষ্টির সঙ্গে মেঘনার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চরাঞ্চলের নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হচ্ছে। ফলে আধাপাকা ধান ও পরিপক্ব সয়াবিন ঘরে তোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

মেঘনার চরকাছিয়া এলাকার কৃষক মিলন মিয়া এবার ৬ একর জমিতে বোরো আবাদ করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘জমির সোনালি ধান এখন পচা পানির নিচে। এই ধানই ছিল পরিবারের সারা বছরের খোরাকি। বুক সমান পানিতে নেমেও ধান রক্ষা করতে পারছি না।’ ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সরকারের কাছে আর্থিক প্রণোদনা দাবি করেন তিনি।

জালিয়ার চরের আরেক কৃষক আবদুল জলিল বলেন, ‘দেড় একর জমিতে ব্রি-৮৮ ধান চাষ করেছিলাম। ধান পেকে যাওয়ায় কাটাও শুরু করেছিলাম। কিন্তু হঠাৎ নদীতে পানি চলে আসায় সব ডুবে গেছে। এখন আধাপাকা ধান কোনোমতে কেটে আনছি। রোদ না পেলে এগুলো খাওয়াও যাবে না, বিক্রিও করা যাবে না। এদিকে ঋণের বোঝা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।’

চরবংশী এলাকার কৃষক হাবিব মিয়ার আক্ষেপ, মেঘনায় স্থায়ী বাঁধ না থাকায় প্রতিবছরই তাঁদের এভাবে ডুবতে হয়। তিনি বলেন, ‘ধান ও সয়াবিন মিলিয়ে ৫ একর জমি চাষ করেছিলাম। বাঁধ থাকলে হয়তো আমরা এই দুর্যোগ থেকে বাঁচতাম। আমাদের বাঁচানোর কেউ নেই।’

রায়পুর উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মেঘনার চরাঞ্চলে এবার ১২ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে, যার মাত্র ২০ শতাংশ কাটা শেষ হয়েছে। এ ছাড়া ৭ হাজার হেক্টর জমিতে সয়াবিন, ৩০০ হেক্টর জমিতে সবজি ও ২৫০ হেক্টর জমিতে পান চাষ করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাজেদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। আমরা কৃষকদের পরামর্শ দিয়েছি ৮০ শতাংশ ধান পেকে গেলেই যেন দ্রুত কেটে ফেলেন। সয়াবিন ও পান রক্ষার জন্য পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। আবহাওয়া পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেই দ্রুত বাকি ফসল সংগ্রহের চেষ্টা করতে হবে।’

Editor

Editor

সম্পাদক

সর্বমোট নিউজ: 339

Share this...
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি।
আরও দেখুন
সর্বশেষ
  • আমাদেরকে ফলো করুন…