গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত, নিবন্ধন নং ১১৪
  1. অনিয়ম
  2. অন্যান্য
  3. অর্থ ও বাণিজ্য
  4. আইন-বিচার
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. কৃষি ও প্রকৃতি
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চাকরি
  11. জাতীয়
  12. ধর্ম
  13. নির্বাচন
  14. প্রবাসের খবর
  15. ফিচার
  16. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  17. বিনোদন
  18. বিশেষ প্রতিবেদন
  19. রাজনীতি
  20. শিক্ষাঙ্গন
  21. শেখ হাসিনার পতন
  22. সম্পাদকীয়
  23. সারাদেশ
  24. স্বাস্থ্য
  25. হট আপ নিউজ
  26. হট এক্সলুসিভ
  27. হাই লাইটস

লক্ষ্মীপুরে বন্যা’র আরও অবনতি : পরিস্থিতি ভয়াবহ

Link Copied!

লক্ষ্মীপুরে গতকাল রাতভর বৃষ্টিতে বন্যার আরও অবনতি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৭০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে কোথাও এক ফুট আবার কোথাও দুই ফুট পানি বেড়েছে বলে জানিয়েন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা। গত শুক্রবার বিকেল থেকে জেলার অনেক এলাকা বিদ্যুৎবিহীন হয়ে অধলক্ষাধিক মানুষ দুর্ভোগে রয়েছে। এ ছাড়া অনেক জায়গায় বন্যাকবলিত মানুষ ত্রাণ পায়নি। দ্রুত ত্রাণ পাঠানোর দাবি জানিয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো।
পানি উন্নয়ন বোর্ড ও ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল রাতভর বৃষ্টি হয়েছে। এতে দুই থেকে তিন ফুটের বেশি পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। পাঁচটি উপজেলা, চারটি পৌরসভা ও উপকূলের ৪০টি এলাকায় এখনও পানিবন্দি রয়েছে সাড়ে ৭ লাখ মানুষ।

গত দুই দিন ধরে ফেনী ও নোয়াখালীর বন্যার পানি রহমতখালী ও ডাকাতিয়া খাল হয়ে লক্ষ্মীপুরে ঢুকে পড়ছে। বিশেষ করে সদর উপজেলার পূর্বাঞ্চলের চন্দ্রগঞ্জ, চরশাহী, দিঘলী, মান্দারী, বাঙ্গাখাঁ, উত্তর জয়পুর ইউনিয়নসহ বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। কোথাও কোথাও প্রায় চার ফুট পানিতে ডুবে আছে জনপদ।

রামগতি ও কমলনগর উপজেলার চরকাদিরা-হাজীগঞ্জ বেড়ির পশ্চিম পাশে ভুলুয়া নদীতে বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে প্রায় ২৫ দিন ধরে পানিতে ডুবে আছে বিস্তীর্ণ জনপদ। রামগতি-কমলনগর ও নোয়াখালীর আন্ডারচর ও চরমটুয়া গ্রামের তিন লক্ষাধিক মানুষ এতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। জলাবদ্ধতার এ পানি কোথাও সরছে না।
এদিকে বিশুদ্ধ পানির সংকট প্রকট আকার ধারণ করছে। দেখা দিয়েছে পানিবাহিত নানা রোগবালাই। এখন পর্যন্ত জেলায় বিভিন্ন আশ্রয়ণ কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে ২০ হাজারের বেশি মানুষ। ওইসব জায়গায়ও শুকানো খাবার দিয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। সব কিছু মিলে এখনো দুর্ভোগের সীমা নেই তাদের। বিএনপি-জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো বন্যার্তদের মধ্যে শুকনো খাবার ও চাল-ডালসহ নানা সামগ্রী বিতরণ করলেও তা অপ্রতুল। অনেক জায়গায় পৌঁছাইয়নি ত্রাণ।

ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে একাধিক পরিবার জানিয়েছে, কোনো ধরনের ত্রাণ পাচ্ছে না তারা। দ্রুত সবাইকে ত্রাণ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে তারা।

লক্ষ্মীপুরে রামগতি আবহাওয়া সতর্কীকরণ অফিসে কর্মকর্তা সৌরভ হোসেন বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ৭০ মিলিমিটার। বন্যার অবনতি হচ্ছে। আরও বৃষ্টি কয়েকদিন থাকবে। এরপর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।

লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাহিদ উজ জামান বলেন, ‘গত দুই দিনে পানি অনেক বাড়ছে। বিশেষ করে গত ২৪ ঘণ্টায় কোথাও এক ফুট আবার কোথাও দুই ফুট পানি বাড়ছে। এরই মধ্যে মজুচৌধুরীর হাটের স্লুইসগেটে সব দরজা খুলে দেওয়া হয়েছে। জোয়ারের সময় দরজা বন্ধ থাকে। ফেনী ও নোয়াখালীর পানি ডাকাতিয়া রহমতখালী নদী হয়ে লক্ষ্মীপুর প্রবেশ করছে। ফলে বন্যার আরও অবনতি হচ্ছে।’

শীর্ষ সংবাদ ডেস্ক

শীর্ষ সংবাদ ডেস্ক

শীর্ষ সংবাদ ডেস্ক

সর্বমোট নিউজ: 1081

Share this...
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি।
আরও দেখুন
সর্বশেষ
  • আমাদেরকে ফলো করুন…