লক্ষ্মীপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত শিক্ষার্থীদের খোঁজখবর নিতে হাসপাতালে গেলেন জামায়াতের নেতৃবৃন্দ। এ সময়আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার জন্য অনুদান প্রদান করেন তারা।
রোববার (১১আগষ্ট) বিকালে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে আহতশিক্ষার্থীদের খোঁজ খবর নিতে যান তারা।
এর আগে চলমান সংকট নিরসন এবং জেলার আইনশৃঙ্খলাপরিস্থিতি স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসক সুরাইয়া জাহান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারেক বিন রশিদ ও সদর উপজেলা নির্বাহীকর্মকর্তা আরিফুর রহমানের সাথে মতবিনিময় করেছে বাংলাদেশেরজামায়াত ইসলামীর নেতারা।
এ সময় লক্ষ্মীপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারাজামায়াতের নেতৃবৃন্দের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এছাড়া সদরথানা ও শ্যাম সুন্দর জিউর আখড়া পরিদর্শন করেন জামায়াতেরনেতাকর্মীরা।
বাংলাদেশ জামায়াত ইসলাম ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিমের নেতৃত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, লক্ষ্মীপুর জেলাজামায়াতের আমির মাস্টার রুহুল আমিন ভূঁইয়া, নায়েবে আমিরএ.আর হাফিজ উল্লাহ, সেক্রেটারি জেনারেল ফারুক হোসেন নুরনবী, লক্ষ্মীপুর আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেটশাহাদাত হোসেন, জেলা জামায়াতের জয়েন্ট সেক্রেটারি নাসিরউদ্দিন মাহমুদ, এডভোকেট মহসিন কবির মুরাদ, শহর আমির আবুলফারাহ নিশানসহ জামায়াত শিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
এ সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে জেলা প্রশাসকসুরাইয়া জাহান এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারেক বিন রশিদজামায়াত ইসলামীর সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। জামায়াতইসলামের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আশ্বাস দেনজামায়াত নেতা ড. রেজাউল করিম।
ড. রেজাউল করিম বলেন, আমাদের কেন্দ্রীয় আমিরের সিদ্ধান্তঅনুযায়ী আমরা বর্তমান সরকারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।ইতিমধ্যেই আমাদের নেতাকর্মীরা হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির ও বাড়িপাহারায় নিয়োজিত রয়েছে। এছাড়া জামায়াত ইসলাম কখনোপ্রতিশোধে বিশ্বাসী না। বিগত বছরে আমাদের ওপর নানা জুলুমনির্যাতন করলেও আমরা সবাইকে ক্ষমা করে দিয়েছি। আমরা আশাকরছি খুব তাড়াতাড়ি দেশের শান্তি ফিরে আসবে।
এছাড়া আন্দোলনে যারা নিহত হয়েছে আমরা তাদের রুহের আত্নারমাগফেরাত কামনা করি এবং যারা আহত হয়েছে প্রত্যেকের সুস্থতাকামনা করছি।

