লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে সম্পত্তি বে-দখলের উদ্দেশ্য কবরস্থানের একাংশ ভেঙ্গে সড়ক নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ৮নং করপাড়া ইউনিয়নের পূর্ব করপাড়া গ্রামে।
ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে সম্পত্তির মালিক লকিয়ত উল্যাহ ও তার ভাই নুরুল্যাহ গংদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি সহ যাতায়াতের পথে বাধা দেওয়ার মিথ্যা অভিযোগে হয়রানির অভিযোগ করেছেন লকিয়ত উল্যাহর ছেলে জসিম উদ্দিন।
জসিম উদ্দিন আরও জানান, দীর্ঘদিন ধরে পূর্ব করপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল ওহাবের ছেলে আবুল বাসার ও মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে সামছুল ইসলাম ভূমি দখলের পাঁয়তারা করছেন। তার বাড়ির সামনে একটি কবরস্থান ভেঙ্গে ফেলেন। সেখানে একটি নতুন কবরের কংকাল কুঁড়িয়ে ফেলেও দিয়েছেন। একই গ্রামের লকিয়ত উল্যাহ গংদের মালিকানা সম্পত্তি বেদখল করে তাদের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বরাবর মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। এতে তারা আমাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ করেছেন। যাহা মিথ্যা ও বানোয়াট। এটি পরিষদের চেয়ারম্যান সহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিততে মিথ্যা প্রমানিত হয়।
লকিয়ত উল্যাহর ভাই নুরুল্ল্যাহ বলেন, আবুল বাসার গং আমাদের মালিকানার সম্পত্তি দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করেছেন। ওই সড়কের প্রায় ৭০ভাগ সম্পত্তির মালিকানা আমাদের। তাছাড়াও আবুল বাসার ও শামসুল ইসলাম গং কর্তৃক পাশ্ববর্তী নজরুল ইসলামের নিকট ওই স্থানের পশ্চিম দিকে বাড়িতে যাওয়ার পুরানো রাস্তার অংশ অনেক আগেই বিক্রি করে দেয়। তাই ঐ সড়কে আবুল বাসার ও সামছুল ইসলামের মালিকানাধীন কোন সম্পত্তি নেই। উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি ও মানসন্মান হানি করছেন। অথচ তারা আমাদের সাথে আলোচনা করার প্রয়োজন মনে করেনি। আলোচনার মাধ্যমে সকল সমস্যার সমাধান করা সম্ভব বলেও জানান তিনি।
করপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ জাহেদুল ইসলাম মির্জা বলেন, যে সড়কে সরকারি বরাদ্দে উন্নয়ন হয়েছে ওই সম্পত্তিতে অধিকাংশ অংশ লকিয়ত উল্যাহ গংদের মালিকানাধীন। ইউএনও মহোদয় আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন আমি তা সমাধান করে দিয়েছি। তবে চাঁদাবাজির ঘটনা সঠিক নয়।
ইউএনও মোছাঃ সারমিন ইসলাম জানান, ব্যস্ততার কারণে অভিযোগটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের নিকট প্রেরণ করেছি। উভয় পক্ষের সাথে আলোচনা করে উনি সমাধান করেছেন বলে জানিয়েছেন।
অভিযুক্ত আবুল বাসার বাসু জানান, সড়কটিতে সরকারি বরাদ্দ পেয়েছি। ওই সড়কে আমাদের বাড়িসহ কয়েকটি বাড়ির যাতায়াতের পথ।
বাধার কারণে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ করেছি। বর্তমানে সড়কটিতে কোনও প্রতিবন্ধকতা নেই।


