দেশের কোনো এলাকায় যদি দুই কিলোমিটারের মধ্যে কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় না থাকে, তাহলে সেখানে নতুন করে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করা হবে। সারা দেশে নতুন করে ১ হাজার ৫০০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পের আওতায় এ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সেজন্য নতুন করে আবেদন নিচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সারা দেশের বিদ্যালয়বিহীন এলাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য নতুন আবেদনপত্র নেওয়ার বিষয়টি জানানো হয়।
আগামী ১৮ মে পর্যন্ত প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য আবেদন করা যাবে। আবেদনে উপজেলা থেকে আগে পাঠানো প্রস্তাবিত বিদ্যালয়সমূহের জন্যও যাচিত তথ্য/ডকুমেন্টস পাঠাতে হবে।
আরও পড়ুন- জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস আজ
চিঠিতে বলা হয়েছে, নতুন প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের লক্ষ্যে প্রস্তাবিত প্রকল্পের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় বিদ্যালয়ের তালিকাভুক্তির জন্য প্রস্তাবিত বিদ্যালয়/বিদ্যালয়সমূহের আবেদন প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ১১ ধরনের তথ্য দিয়ে ১৮ মে-র মধ্যে অধিদফতরে পাঠাতে হবে।
যে সকল তথ্য দিয়ে আবেদন করতে হবেঃ
বিদ্যালয়সমূহের আবেদন যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের লক্ষ্যে সংযুক্ত সকল যাচিত ডকুমেন্টসের সফট কপি (Excel worksheet-4 Unicode Nikosh BAN ফন্টে পূরণ পূর্বক dirplandpe@gmail.com অথবা adplandpe@gmail.com ঠিকানায় আগামী ১৮ মের মধ্যে পাঠাতে হবে। কোনো অপূর্ণাঙ্গ আবেদন বিবেচনা করা হবে না।
আরও পড়ুন- রোকাইয়াকে বাঁচাতে প্রয়োজন ৪ লাখ টাকা
এছাড়া, আরও ১১ ধরনের তথ্য দিয়ে এ আবেদন করতে হবে। এর মধ্যে উপজেলা পর্যায়ে গঠিত কমিটির কার্যবিবরণী, উপজেলা পর্যায়ের গঠিত কমিটির সুপারিশ, চারদিকের (উত্তর, দক্ষিণ, পশ্চিম, পূর্ব) প্রাথমিক স্কুলের দূরত্ব ও ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা, প্রস্তাবিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবস্থান, দুই কিলোমিটারের মধ্যে কোনো স্কুল থাকলে সেক্ষেত্রে প্রাকৃতিক প্রতিবন্ধকতা বা অন্য কোনো বিষয় থাকলে তা উল্লেখ করতে হবে।
প্রস্তাবিত বিদ্যালয়ের গ্রামে কোনো স্কুল আছে কি না, নিজস্ব জমি আছে কি না, না থাকলে বিকল্প প্রস্তাব কী হবে, জমি পাওয়ার সম্ভাবনা আছে কি না, জমি থাকলে তা বিদ্যালয় করার মতো উপযোগী কি না, এসব তথ্য দিতে হবে।
প্রস্তাবিত বিদ্যালয়ের মৌজার সংখ্যা কত এবং প্রস্তাবিত বিদ্যালয়ের ক্যাচমেন্ট এলাকায় প্রাথমিক স্কুলে ভর্তিযোগ্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা কত (বয়স ৫ থেকে ১১ বছর)। এসব তথ্য দিয়ে উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে তা অধিদপ্তরের পাঠাতে হবে।




