গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত, নিবন্ধন নং ১১৪
  1. অনিয়ম
  2. অন্যান্য
  3. অর্থ ও বাণিজ্য
  4. আইন-বিচার
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. কৃষি ও প্রকৃতি
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চাকরি
  11. জাতীয়
  12. ধর্ম
  13. নির্বাচন
  14. প্রবাসের খবর
  15. ফিচার
  16. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  17. বিনোদন
  18. বিশেষ প্রতিবেদন
  19. রাজনীতি
  20. শিক্ষাঙ্গন
  21. শেখ হাসিনার পতন
  22. সম্পাদকীয়
  23. সারাদেশ
  24. স্বাস্থ্য
  25. হট আপ নিউজ
  26. হট এক্সলুসিভ
  27. হাই লাইটস

ক্লিনিক-স্কুল-রাস্তা কিছু’ই নেই! লক্ষ্মীপুরে চরবাসীর দুর্ভোগ

Link Copied!

স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটেনি চরবাসীর। ফলে স্বাস্থ্য চিকিৎসা, সুপীয় পানি ও উচ্চ বিদ্যালয়সহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা থেকেও বঞ্চিত রয়েছে চরাঞ্চলে লক্ষাধিক মানুষ। কয়েকমাস আগে জেলা প্রশাসক অন্য উপজেলায় ওয়াটার এম্বুলেঞ্চ দিলেও রায়পুরবাসী বঞ্চিত। উপজেলা থেকে গত বছর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে চিঠি চালাচালি হলেও আজও কোন খোঁজখবর নেই।।

সরজমিন দেখা যায়, রায়পুরে পঞ্চিমাঞ্চলের মেঘনার তীরবর্তী মেঘনা নদীবাহিত চার ইউনিয়ন-উত্তর চরবংশী, দক্ষিন চরবংশী ও দক্ষিন চর আবাবিল) চরে বসবাসকারী পরিবারগুলোর যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম নদীপথ আর বর্ষাকালের বাহন নৌকা। ফলে চর এলাকায় তেমন কোনো রাস্তাঘাট না থাকায় অসুস্থ রোগীর চিকিৎসায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

এ অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত নদীর বুকে জেগে ওঠা মেঘনার নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় ভূমিহীন কৃষকরা সয়াবিন ও ধানসহ কৃষিতে বিপ্লব ঘটিয়েছেন।একসময় এসব নদী ছিল তাদের দুঃখের কারণ, এখন সেই নদীর চরে বিভিন্ন ফসল ফলিয়ে অভাব দূর করছেন তারা। অক্লান্ত পরিশ্রমে অসম্ভবকে সম্ভব করে বাঁচার স্বপ্নপূরণে ফলাচ্ছে নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়া পরিবারগুলো।

নদীর বুকে জেগে ওঠা চরের পলিযুক্ত বেলে ও দোআঁশ মাটিতে নিজেদের ভাগ্য উন্নয়নের স্বপ্নের ফসল বুনে ঘরে তুলে লাভবান হচ্ছেন চরের এসব নিঃস্ব খেটে খাওয়া মানুষ। মেঘনার ভাঙনে ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে অনেক পরিবার।

চর এলাকায় আমজাদ হোসেন ও নজরুল ইসলাম সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, ৭-৮ বছর আগে নদীভাঙনে জমি জায়গা হারিয়ে বাঁধে আশ্রয় নিয়ে ছিলাম। আমাদের সংসারে অভাব-অনটন ছিল, কাজকর্মও ছিল না। বাধ্য হয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে জেগে ওঠা চরে ধান, আলু, সয়াবিন ও সবজি চাষ করে এখন আল্লাহর রহমতে ভালো আছি।

চরাঞ্চলের মানুষগুলোর স্বাস্থ্যসেবার জন্য নেই মানসম্মত কমিনিউটি ক্লিনিক ও স্কুল। অসুস্থ রোগীর চিকিৎসায় স্বজনদের কাঁধে করে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে যেতে হয়। তাদের দাবি, বর্তমান সরকার আমলে সারা দেশে ব্যাপক উন্নয়ন হলেও রাস্তাঘাটের দিক থেকে আমরা বঞ্চিত রয়েছি। ভালো যোগাযোগব্যবস্থা না থাকায় উপজেলা সদর যাতায়াতে খুবকষ্ট হয়। চরে কমিউনিটি ক্লিনিক না থাকায় সময়মতো চিকিৎসা করাতে পারেন না। বছরে দুইবার এসে টিকা দিয়ে যায়। আর কোন খোঁজখবর রাখেনা জনপ্রতিনিধি।

বন্যায় ও ঘূর্ণীঝড়ে যাতায়াতে চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। এ সময় কেউ অসুস্থ হলে দ্রুত চিকিৎসাসেবা পাওয়া সম্ভব হয় না। ফলে অনেক রোগী চিকিৎসার অভাবে মারা যায়। মেঘনা নদীর ওপর সেতু নির্মাণ এবং রাস্তাঘাট হলে তারা এ দুর্ভোগ থেকে রক্ষা পেতেন। মেঘনার চরে গুরুত্বপূর্ণ ঘাট গুলোতে সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন অসহায়-দরিদ্র চরবাসি।

উত্তর চরবংশী ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন, দক্ষিন চরবংশী আবু সালেহ মিন্টু ও দক্ষিন চরআবাবিল ইউপি চেয়ারম্যান দুলাল হাওলাদার শীর্ষ সংবাদকে বলেন, চর এলাকার মানুষের চিকিৎসা ব্যবস্থা ও যোগাযোগ নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে সব ইউপি সদস্যকে নিয়ে পরিষদে রেজুলেশন করেছি। সংসদ সদস্য এডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ডিও লেটারের মাধ্যমে পাঠানো হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বাহারুল আলম বলেন, চারটি ইউনিয়নের (উত্তরচরবংশী, দক্ষিনচরবংশী, উত্তরচরআবাবিল ও দক্ষিনচরআবাবিল) চরবাসীদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার জন্য ইতোমধ্যে কমিউনিটি ক্লিনিক একটি প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে। অনুমোদন পেলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শীর্ষ সংবাদ ডেস্ক

শীর্ষ সংবাদ ডেস্ক

শীর্ষ সংবাদ ডেস্ক

সর্বমোট নিউজ: 1081

Share this...
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি।
আরও দেখুন
সর্বশেষ
  • আমাদেরকে ফলো করুন…