রাজশাহী জেলা পরিষদের উদ্যোগে ৫ আগস্ট (মঙ্গলবার) ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। এদিন সকাল ৯ টায় নগরীর সিএন্ডবি মোড়স্থ’ ‘জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে’ পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়।
বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার আজিম আহমেদের নেতৃত্বে এই শ্রদ্ধাঞ্জলি কর্মসূচিতে অংশ নেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার, জেলা পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজা হাসানসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।
এরপর জেলা শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে আয়োজিত শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও চিত্র প্রদর্শনী সকাল সাড়ে ৯টায় পরিদর্শন করেন বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার আজিম আহমেদ। শিশুদের আঁকা ছবিতে উঠে আসে ১৯৭২ সালের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের চিত্র।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, রাজশাহীর জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার, জেলা পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম,জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মু.রেজা হাসান, অন্যান্য সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং দর্শনার্থী বৃন্দ ।

সকাল ১০টায় শিল্পকলা মিলনায়তনে শুরু হয় রাজশাহী জেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত “জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সম্মিলন” অনুষ্ঠান। জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে শুরু হওয়া এ আয়োজনে শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এছাড়া, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে দিবসটির প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয় এবং অংশগ্রহণকারীরা স্মৃতিচারণ করেন।
এছাড়া “জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সম্মিলন” অনুষ্ঠান শেষে ‘জুলাই ফাউন্ডেশন’ ও জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের অনুকূলে উপহার সামগ্রী ও আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয় এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগীতার পুরস্কার বিতরণ করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান।
জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতারের সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, আরএমপি’র কমিশনার মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম সহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সুধীজন এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।



