জাতির সামনে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এর আগে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত সুধী সমাবেশে যোগ দেন প্রধান উপদেষ্টা। এ সময় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সমাবেশ স্থলে আসেন বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৫টা ২১ মিনিটে তিনি জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠান মঞ্চে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ শুরু করেন।
রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে আছেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ‘৩৬ জুলাই উদযাপন’ শীর্ষক অনুষ্ঠান এ ঘোষণাপত্র পাঠ করবেন প্রধান উপদেষ্টা। এছাড়া, রাত ৮টা ২০ মিনিটে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা।
জুলাই ঘোষণাপত্র উপস্থাপনের সুধী সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও জুলাই যোদ্ধারা উপস্থিত আছেন। এদিকে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে স্মারক ডাকটিকিট, উদ্বোধনী খাম ও সিলমোহর অবমুক্ত করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এক অনুষ্ঠানে এসব স্মারক অবমুক্ত করেন তিনি। এসময় কয়েকজন উপদেষ্টা এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সকাল থেকেই মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। তবে বিকেলে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠের জন্য এসব অনুষ্ঠান কিছু সময়ের জন্য বন্ধ থাকবে।
সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার করে ছাত্রশিবির। রাজধানীর মহাখালীতে গণমিছিল করে জামায়াতে ইসলামী। গণঅভ্যুত্থান উদযাপনে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে দিনভর নানা আয়োজন রেখেছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এ উপলক্ষে ‘জুলাই পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠানমালা’র মূল মঞ্চ করা হয়েছে। দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির অংশ হিসেবে সন্ধ্যা ৬টা থেকে অনুষ্ঠিত হবে জুলাই শহীদের স্মরণে শৈল্পিক ‘ড্রোন শো’। এদিকে অনুষ্ঠানস্থল ও আশেপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।




