গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত, নিবন্ধন নং ১১৪
  1. অনিয়ম
  2. অন্যান্য
  3. অর্থ ও বাণিজ্য
  4. আইন-বিচার
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. কৃষি ও প্রকৃতি
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চাকরি
  11. জাতীয়
  12. ধর্ম
  13. নির্বাচন
  14. প্রবাসের খবর
  15. ফিচার
  16. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  17. বিনোদন
  18. বিশেষ প্রতিবেদন
  19. রাজনীতি
  20. শিক্ষাঙ্গন
  21. শেখ হাসিনার পতন
  22. সম্পাদকীয়
  23. সারাদেশ
  24. স্বাস্থ্য
  25. হট আপ নিউজ
  26. হট এক্সলুসিভ
  27. হাই লাইটস

বিভিন্ন জাতের মিশ্র মাছ চাষে সাফল্য-দ্বিগুন লাভের সম্ভাবনা

Link Copied!

কুড়িগ্রামের উলিপুরে আব্দুল আজিজ নামের এক মাছ চাষি অভিনব পদ্ধতিতে বিভিন্ন জাতের মিশ্র মাছ চাষে সাফল্য লাভ করেছেন-দ্বিগুণ লাভের আশা করছেন তিনি।

সরেজমিন উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের পশ্চিম কিশোরপুর তেলিপাড়া গ্রামের আব্দুল আজিজ প্রায় ৫ বছর থেকে মাছের চাষ করে আসছেন। তিনি ১২০ শতক জমির উপর বিভিন্ন জাতের মাছের চাষ করেছেন। এ বছর তিনি প্রায় ১ লক্ষ টাকার মাছ ছেড়ে দিয়েছে। তার মধ্যে রেনু পোনা ৫ কেজি, পোনা মাছ ২০০ কেজি, পাঙ্গাস ১০ হাজার পিছ ও মনোসেক্স তেলাপি ২২ হাজার পিছ। এ ছাড়াও বিভিন্ন জাতের মাছ রয়েছে। এবারে উক্ত জমিতে বিভিন্ন জাতের মাছ চাষের সময় চলছে ৫ থেকে ৬ মাস। এরই মধ্যে মাছ বিক্রির উপযোগী হয়ে উঠেছে।

উক্ত জমিতে বিভিন্ন জাতের মাছের মধ্যে রুই, কাতলা, মৃগেল, কার্প, সিলকার্প, পাঙ্গাশ, মনোসেক্স তেলাপি এছাড়া দেশি প্রজাতি মাছের মধ্যে টেংরা, পুটি, চিংড়ি, গচি সহ বিভিন্ন প্রকারের মাছ। জানা যায়, তিনি সেখানে অভিনব কায়দায় ভিন্ন পদ্ধতিতে এসব মাছের চাষ করে আসছেন। তিনি পুরো এলাকাটিকে জাল দিয়ে ঢেকে রেখেছে যাতে বিভিন্ন ধরনের মাছখেকো পাখি পুকুরে বসে মাছ ধরতে না পারে বলে জানান তিনি। উপজেলা মৎস্য অফিস সুত্রে জানা যায় এবারে উপজেলায় মাছের উৎপাদন লক্ষ্য মাত্রা প্রায় ৯ হাজার মেট্রিকটন।

আরও পড়ুন-    ওসিকে প্রত্যাহারের দাবিতে সাংবাদিকদের থানা ঘেরাও

উক্ত মাছ চাষি আব্দুল আজিজ বলেন, আমি মাছ চাষ করেছি প্রায় ১২০ শতক জমির উপরে। আমি প্রায় ৫ বছর যাবৎ এ মাছের চাষ করে আসছি। এবছর প্রায় ১ লক্ষ টাকার মাছ ছেড়ে দিয়েছি। এ পর্যন্ত মাছ বাজারে বিক্রি করেছি প্রায় ২৫ মণ যার মুল্য প্রায় ৯০ হাজার টাকা। এখন জমিতে মাছ আছে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ মণ যার মুল্য হবে প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার থেকে ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। যা বাজারে বিক্রি করতে পারব বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তারিফুর রহমান বলেন, উপজেলার যে সকল সফল মৎস্য চাষি রয়েছে তারা যে কোন প্রকার পরামর্শ আমাদের কাছ থেকে পেয়ে থাকে। উপলায় আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে মৎস্য চাষিদের পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। আমাদের জনবল কাঠামো কম থাকায় মাঠে গিয়ে কাজ করার সুযোগ নেই। তবে আমাদের অফিসে এসে যোগাযোগ করে সমস্যার কথা জানালে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে সমাধান করারার চেষ্টা করা হয় বলে জানান তিনি।”

শীর্ষসংবাদ/নয়ন

biggapon বিজ্ঞাপন

জে এম আলী নয়ন

জে এম আলী নয়ন

সাব এডিটর

সর্বমোট নিউজ: 6252

Share this...
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি।
আরও দেখুন
  • আমাদেরকে ফলো করুন…