জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে লক্ষ্মীপুরের মেয়ে ও রাজপথের লড়াকু নেত্রী শায়লা এনামকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে। ত্যাগী ও আদর্শনিষ্ঠ রাজনীতি এবং জনকল্যাণে তাঁর দীর্ঘ পদচারণার স্বীকৃতি হিসেবে তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ তাঁকে জাতীয় সংসদে দেখতে চান।
স্থানীয় রাজনীতি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শায়লা এনামকে সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন দেওয়া কেবল সময়ের দাবি নয়, বরং এটি ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতৃত্বের প্রতি সুবিচারের বহিঃপ্রকাশ। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বারবার প্রমাণ করেছেন যে, তিনি পদ-পদবির মোহ ত্যাগ করে মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের পক্ষে আপসহীন। বিভিন্ন সময় দমন-পীড়ন ও কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করেও তিনি দলীয় আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি।
শায়লা এনামের রাজনৈতিক ভিত্তি অত্যন্ত মজবুত এবং পারিবারিকভাবেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তাঁর বাবা অ্যাডভোকেট খায়রুল এনাম ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক । তিনি জাতীয় সংসদের লক্ষ্মীপুর-৩ আসন থেকে পঞ্চম ও সপ্তম সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় নেতা ছিলেন। এছাড়া তাঁর ভাই ইমতিয়াজ এনাম (তানিম) বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের যুক্তরাজ্য শাখার ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
শায়লা এনামের রাজনৈতিক পথচলা শুরু ছাত্র রাজনীতি থেকে। রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সবসময়ই প্রথম সারিতে থেকেছেন। বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় সংরক্ষিত নারী আসনকে কেবল একটি সাংবিধানিক কাঠামো হিসেবে না দেখে নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। তাঁদের মতে, শায়লা এনামের মতো সৎ ও সাহসী নেত্রীকে সংসদে পাঠালে লক্ষ্মীপুরবাসীর কণ্ঠস্বর আরও জোরালো হবে।
লক্ষ্মীপুরের কয়েকজন তৃণমূল নেতা জানান, শায়লা এনাম সবসময় সাধারণ মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর বিনয়ী আচরণ এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসা তাঁকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। সংরক্ষিত আসনে তাঁর মনোনয়ন তৃণমূলের রাজনীতিতে নতুন প্রাণের সঞ্চার করবে।
সাধারণ নাগরিক ও গণতন্ত্রকামী মানুষের প্রত্যাশা, নীতিনিষ্ঠ ও কল্যাণমুখী রাজনীতির ধারাবাহিকতা রক্ষায় শায়লা এনামের মতো নেতৃত্ব অপরিহার্য। লক্ষ্মীপুরবাসীর প্রাণের এই দাবি এখন জাতীয় পর্যায়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়।




