গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত, নিবন্ধন নং ১১৪
  1. অন্যান্য
  2. অর্থ ও বাণিজ্য
  3. আইন-বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ধর্ম
  12. নির্বাচন
  13. প্রবাসের খবর
  14. ফিচার
  15. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  16. বিনোদন
  17. বিশেষ প্রতিবেদন
  18. রাজনীতি
  19. শিক্ষাঙ্গন
  20. শেখ হাসিনার পতন
  21. সম্পাদকীয়
  22. সারাদেশ
  23. স্বাস্থ্য
  24. হট আপ নিউজ
  25. হট এক্সলুসিভ
  26. হাই লাইটস

মালয়েশিয়ায় শ্রমিকের মৃত্যু: মরদেহ পাঠাতে চান মালিক, খোঁজ নেই পরিবারের

Link Copied!

মালয়েশিয়ায় দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে কঠোর পরিশ্রম করে সুনাম কুড়িয়েছিলেন লক্ষ্মীপুরের আব্দুল মান্নান। কিন্তু সেই বিদেশের মাটিতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করতে হলো তাকে। অথচ ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, প্রিয় কর্মীর মরদেহ পরিবারের কাছে পাঠাতে চাইলেও মালিক খুঁজে পাচ্ছেন না স্বজনদের। কারণ, ২০০৭ সালে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার পর থেকেই পরিবারের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ ছিল না মান্নানের।

নিহত আব্দুল মান্নান লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ থানার ১৩ নম্বর দিঘলী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের রাজাপুর (জাহেরাবাদ) এলাকার বাসিন্দা।

সহকর্মী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল মান্নান মালয়েশিয়ায় একটি বড় চীনা মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত সৎ, দক্ষ ও পরিশ্রমী। তার সততায় মুগ্ধ হয়ে কোম্পানির মালিকের সঙ্গে তার এক নিবিড় সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মান্নানের আকস্মিক মৃত্যুতে ওই প্রতিষ্ঠানে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মালিক নিজে শোকাহত হয়ে গত দুই দিন ধরে মান্নানের মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনে একাধিকবার যোগাযোগ করেছেন।

তবে মরদেহ দেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মান্নানের পরিবারের নিরুদ্দেশ থাকা। মালয়েশিয়ায় মান্নানের কাছে থাকা ফোন নম্বরে একাধিকবার কল করেও কাউকে পাওয়া যায়নি।

এই খবরটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে রামগঞ্জ উপজেলার এক প্রবাসী বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর শুরু করেন। পরবর্তীতে একটি অনলাইন পোস্টের সূত্র ধরে জানা যায়, মান্নানের বাড়ি লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ এলাকায়। স্থানীয়রা নিশ্চিত করেছেন, ২০০৭ সালে দেশ ছাড়ার পর থেকে পরিবারের সঙ্গে মান্নানের আর কোনো যোগাযোগ ছিল না। এমনকি পরিবারের সদস্যরাও তার কোনো খবর জানতেন না।

বর্তমানে মান্নানের মরদেহ মালয়েশিয়ায় একটি হাসপাতালের হিমাগারে সংরক্ষিত আছে। তার সহকর্মীরা জানান, মালিক পক্ষ সব খরচ বহন করতে রাজি থাকলেও আইনি প্রক্রিয়ার জন্য পরিবারের উপস্থিতি বা সম্মতি প্রয়োজন।

মান্নানের সহকর্মীরা এক আবেগঘন বার্তায় জানান, “মান্নান ভাই আমাদের কাছে অত্যন্ত শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন। তার মরদেহটা যেন অন্তত দেশের মাটিতে তার মা-বাবার কবরের পাশে ঠাঁই পায়, এটাই আমাদের চাওয়া। আমরা সংশ্লিষ্ট সবার এবং স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।”

এখন আব্দুল মান্নানের পরিবারের কেউ এই সংবাদটি পেলে বা কোনো পরিচিত জন তাদের সন্ধান জানলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

Editor

Editor

সম্পাদক

সর্বমোট নিউজ: 275

Share this...
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি।
আরও দেখুন
সর্বশেষ