বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, আমি বারবারই বলেছি, তেলের আমাদের সমস্যা নাই, তবে সমস্যা হচ্ছে যে, পেট্রোল পাম্পে আগে দিনে এক লরি তেল লাগতো; এখন হঠাৎ যুদ্ধের কারণে মানুষ সব তেল সংগ্রহ শুরু করেছে। যার কারণে ওই পেট্রোল পাম্প আগে সারা দিনে যা বেচতো এখন দুই ঘণ্টায় তা বিক্রি হয়ে যায়। তারপর পেট্রোল পাম্পটি বন্ধ হয়ে যায়, আর বলা হয় পেট্রোল পাম্প বন্ধ হয়ে গেছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকালে সিরাজগঞ্জের সয়দাবাদ এলাকায় ৬৮ মেগাওয়াট সৌর বিদুৎ কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় মন্ত্রী বলেন, তেলের সরবরাহ সবসময়ই আছে এবং সারা দেশের ডিসি-এসপিদের সঙ্গে কথা বলেছি, তারা মনিটরিং করছেন। তবে এই যে হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার মধ্যে দুর্নীতি আছে এবং সেটা কালোবাজারি (ব্লাক মার্কেটিং) হচ্ছে, যা ইতিমধ্যেই সিরাজগঞ্জসহ সারা দেশে ধরা পড়ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘তেল সরবরাহ সবসময়ই আছে। তবে হঠাৎ করে তেলের চাহিদা বেড়ে যাওয়ার মধ্যে দুর্নীতি আছে এবং কালোবাজারি হচ্ছে। সারা দেশেই সেটা ধরা পড়ছে। সারা দেশের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তারা এ বিষয়ে মনিটরিং করছে। ’
এদিকে, দেশের জরুরি জ্বালানি চাহিদা পূরণে তিন লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। বৃহস্পতিবার সরকারি ছুটির দিনে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ভার্চুয়াল সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়।
এপ্রিলে যেভাবে মিলতে পারে টানা ৫ দিনের ছুটি
সভায় জানানো হয়, বৈশ্বিক অস্থিতিশীল ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সরবরাহে সম্ভাব্য চাপ মোকাবিলায় এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রয়ের মাধ্যমে সরাসরি পদ্ধতিতে দুটি প্রতিষ্ঠান থেকে এই ডিজেল কেনা হবে।
এর মধ্যে এপি এনার্জি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেডের কাছ থেকে এক লাখ মেট্রিক টন ডিজেল কেনা হবে। পাশাপাশি সুপারস্টার ইন্টারন্যাশনাল (গ্রুপ) লিমিটেডের কাছ থেকে আরও দুই লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির অনুমোদন দেয়া হয়েছে।





