গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত, নিবন্ধন নং ১১৪
  1. অন্যান্য
  2. অর্থ ও বাণিজ্য
  3. আইন-বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ধর্ম
  12. নির্বাচন
  13. প্রবাসের খবর
  14. ফিচার
  15. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  16. বিনোদন
  17. বিশেষ প্রতিবেদন
  18. রাজনীতি
  19. শিক্ষাঙ্গন
  20. শেখ হাসিনার পতন
  21. সম্পাদকীয়
  22. সারাদেশ
  23. স্বাস্থ্য
  24. হট আপ নিউজ
  25. হট এক্সলুসিভ
  26. হাই লাইটস

অর্ধশতাধিক বর্গাচাষীর মানবেতর জীবন যাপনগাইবান্ধায় ৬০ বিঘা জমি ৪ বছর ধরে অনাবাদি

Link Copied!

গাইবান্ধায় ৪ বছর ধরে ৬০ বিঘা দুই ফসলী জমিতে চাষাবাদ বন্ধ রয়েছে। অনাবাদী জমিগুলো এখন গবাদী পশুর চারণ ভূমিতে পরিণত হয়েছে। ফলে ওই জমিগুলির বর্গা চাষ করা অর্ধশতাধিক চাষী পরিবারগুলির চার শতাধিক সদস্যের তিন বেলা ভাত জুটছেনা। চার বছর ধরে তারা মানবেতর জীবন যাপন করছে।

গাইবান্ধার বোয়ালী ইউনিয়নের খামার বোয়ালী গ্রামে গেলে ভুক্তভোগী বর্গাচাষীরা জানায়, ওই গ্রামের আব্দুস সবুর, শহীদুল ইসলাম, শাহাবুদ্দীন ও শরিফুল ইসলাম নামের তিন ভাই জমিগুলোর মালিক। নিজেদের পারিবারিক কোন্দলের কারণে তাদের পৈত্রিক জমিগুলো ভাগাভাগি বন্ধ করে দিয়ে বর্গাচাষীদের চাষাবাদও বন্ধ করে দিয়েছে। এতে পরিবার নিয়ে তারা খাদ্য সংকটে পড়েছে। গবাদি পশুর খাদ্যও মিলছেনা তাদের। বাধ্য হয়ে তারা গরু বাছুর বিক্রি করে দিচ্ছে।

আরও পড়ুন-    এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি রাখা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী

বর্গাচাষী আনছার আলী, নজরুল, আয়নাল, মমতাজ, আবু হোসেন, ফরিদ মিয়া, শহীদুল ইসলাম জানায়, দুই ফসলী জমি গুলিতে আউস ও আমন ধান আবাদ করত তারা। বিঘা প্রতি ১০ থেকে ১৫ মন বর্গার ধান রেখে বাকী ৭ থেকে ১০ মণ ধান জমির মালিককে দিতো। মালিকরা সবাই বিত্তশালী। কিন্তু তারা সবাই গরীব দিনমজুর ফলে ধান না পাওয়াতে চাল কিনে তিন বেলা খাবার জুটছে না। পরিবার নিয়ে কষ্টে দিন কাটাচ্ছে দিনমজুর বর্গাচাষিরা।

অন্যদিকে জমির মালিক আব্দুস সবুর জানান, তাদের বাবা হাজী সামছুল হক সরকার ২০১৩ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তার জীবদ্দশা হতেই জমিগুলোতে বর্গাচাষীরাই চাষাবাদ করে আসছে। আবাদ করতে আগ্রহী নন যে দুই ভাই তাদের একজন বর্তমানে বোয়ালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম। তিনি এবং অন্য ভাইয়েরা জমি ভাগাভাগিও করছেন না বর্গাচাষিদের চাষাবাদও করতে দিচ্ছে না। বর্গা চাষীদের অভাব অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি সমাধানের চেষ্টা করে বিফল হয়েছেন। কিন্তু দুই ভাই ইচ্ছাকৃতভাবে সমাধানে রাজী নন। সরকার ঘোষণা দিয়েছে এক ইঞ্চি জমিও চাষাবাদের বাইরে রাখা যাবে না। সেখানে আমাদের এত বিপুল পরিমাণ জমি অনাবাদী থাকা উচিত নয় বলে আমরা নিজেরাও মনে করি। এ বিষয়ে বোয়ালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলামকে প্রশ্ন করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোন কথা বলতে রাজি হননি।

আরও পড়ুন-    যার যতটুকু জমি আছে আপনারা তাতে কিছু না কিছু চাষাবাদ করেনঃ প্রধানমন্ত্রী

গাইবান্ধা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শরীফুল আলম বলেন, এ বিষয়ে কোন অভিযোগ কেউ করেনি। জমিগুলো অনাবাদী থাকার বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে দেখা হবে। গাইবান্ধার কৃষি সম্প্রসারন ভিাগের উপ-পরিচালক মোঃ বেলাল উদ্দিন জানান রাষ্ট্রীয় নির্দেশের প্রেক্ষিতে আবাদী জমি অনাবাদী ফেলে রাখার কোন সুযোগ নেই বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে এ ব্যাপারে বর্গাচাষীরা এই বিপুল পরিমান অনাবাদি জমি আবাদের আওতায় ফিরিয়ে আনতে জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষন করে লিখিত আবেদন করেছে। ছবি সংযুক্ত

শীর্ষসংবাদ/নয়ন

biggapon বিজ্ঞাপন

জে এম আলী নয়ন

জে এম আলী নয়ন

সাব এডিটর

সর্বমোট নিউজ: 6252

Share this...
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি।
আরও দেখুন
সর্বশেষ