গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত, নিবন্ধন নং ১১৪
  1. অনিয়ম
  2. অন্যান্য
  3. অর্থ ও বাণিজ্য
  4. আইন-বিচার
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. কৃষি ও প্রকৃতি
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চাকরি
  11. জাতীয়
  12. ধর্ম
  13. নির্বাচন
  14. প্রবাসের খবর
  15. ফিচার
  16. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  17. বিনোদন
  18. বিশেষ প্রতিবেদন
  19. রাজনীতি
  20. শিক্ষাঙ্গন
  21. শেখ হাসিনার পতন
  22. সম্পাদকীয়
  23. সারাদেশ
  24. স্বাস্থ্য
  25. হট আপ নিউজ
  26. হট এক্সলুসিভ
  27. হাই লাইটস

পল্লবীর শিশু হত্যার রায়ে বিশিষ্টজনের অভিমত প্রমাণ হলো রাষ্ট্র চাইলে দ্রুত বিচার সম্ভব

Link Copied!

পল্লবীর শিশু হত্যা মামলার দ্রুত বিচার ও রায়কে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন মানবাধিকারকর্মী, আইনজীবী ও মনোবিজ্ঞানীরা। তাদের মতে, এ রায়ের মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে-রাষ্ট্রের সদিচ্ছা থাকলে অপরাধী শনাক্ত করে দ্রুত বিচার সম্পন্ন করা সম্ভব। রোববার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল হত্যা মামলাটির দ্রুত রায় দেওয়ার পর বিশিষ্টজনরা এমন অভিমত প্রকাশ করেন।
Advertisement

দ্রুত রায় প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম যুগান্তরকে বলেন, এ রায়ের মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা মানুষের কাছে গেছে-অপরাধীকে শনাক্ত করে বিচার করা কোনো কঠিন কাজ নয়। দ্রুততম সময়ে অপরাধী চিহ্নিত ও বিচার হয়েছে। তিনি বলেন, তবে শুধু দ্রুত রায় দিলেই হবে না। বিচারপ্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপগুলোও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে। তিনি বলেন, এখানে বিচার সম্পন্ন করতে সময়ক্ষেপণ করা হয়নি। কিন্তু আপিল নিষ্পত্তি হতে কত সময় লাগবে, সেটাও নির্দিষ্ট থাকতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফলাফল দিতে হবে এবং পুরো প্রক্রিয়ায় কার্যকর মনিটরিং থাকতে হবে। এ ধরনের মামলার রায় দ্রুত কার্যকর হলে অপরাধীদের মধ্যে কিছুটা হলেও ভীতি তৈরি হতে পারে। তবে দেশের বিচারব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বিপুলসংখ্যক মামলার প্রতিও নজর দিতে হবে। শুধু আলোচিত মামলার বিচার নয়, বিচারপ্রত্যাশী সব মানুষের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের লক্ষ্য হওয়া উচিত।

সুপ্রিমকোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ যুগান্তরকে বলেন, এটি একটি বিশেষ মামলা। এখানে রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার আগ্রহ ছিল বলেই অল্প সময়ে তদন্ত, বিচার ও রায় সম্ভব হয়েছে। তবে এ ঘটনা আমাদের সামনে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতাও তুলে ধরেছে-রাষ্ট্র চাইলে দ্রুত বিচার করা সম্ভব। এর ফলে পরোক্ষভাবে এমন প্রশ্নও সামনে আসছে, দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন থাকা অসংখ্য মামলার নিষ্পত্তি কেন হচ্ছে না। তিনি বলেন, আদালতে লাখ লাখ মামলা বছরের পর বছর ঝুলে আছে। অনেক ভুক্তভোগী মামলার চূড়ান্ত ফলাফল দেখার আগেই মারা যায়। ফলে অপরাধ করলে বিচার হবে সেটা অনেক ক্ষেত্রেই দুর্বল হয়ে পড়ে। যখন বিচার দীর্ঘসূত্রতায় আটকে যায় তখন সাধারণ মানুষের মধ্যেও বিচারব্যবস্থা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। সংবিধান তো কেবল একটি নির্দিষ্ট মামলার বিচার নিশ্চিত করার কথা বলে না; বরং সব নাগরিকের জন্য সমান বিচারপ্রাপ্তির নিশ্চয়তা দেয়। তিনি বলেন, সরকার এ মামলার অভিজ্ঞতা সামনে রেখে বিচারব্যবস্থার সামগ্রিক জট কমানোর উদ্যোগ নেবে।

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মানসিক রোগ বিভাগের অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান ডা. সালাহউদ্দিন কাউসার বলেন, কিছু অপরাধীর মধ্যে অন্তত শঙ্কা তৈরি হতে পারে যে গুরুতর অপরাধের বিচার এড়ানো সব সময় সম্ভব নয়।

Mamun Hossen

Mamun Hossen

অফিস স্টাফ

সর্বমোট নিউজ: 73

Share this...
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি।
আরও দেখুন
সর্বশেষ
  • আমাদেরকে ফলো করুন…