গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত, নিবন্ধন নং ১১৪
  1. অনিয়ম
  2. অন্যান্য
  3. অর্থ ও বাণিজ্য
  4. আইন-বিচার
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. কৃষি ও প্রকৃতি
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চাকরি
  11. জাতীয়
  12. ধর্ম
  13. নির্বাচন
  14. প্রবাসের খবর
  15. ফিচার
  16. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  17. বিনোদন
  18. বিশেষ প্রতিবেদন
  19. রাজনীতি
  20. শিক্ষাঙ্গন
  21. শেখ হাসিনার পতন
  22. সম্পাদকীয়
  23. সারাদেশ
  24. স্বাস্থ্য
  25. হট আপ নিউজ
  26. হট এক্সলুসিভ
  27. হাই লাইটস

চেয়ারম্যানের ছেলের পা ধরেও স্বামীকে রক্ষা করতে পারেনি স্ত্রী

Link Copied!

লক্ষ্মীপুরে স্ত্রী ও ৬ মাসের শিশু-কন্যার চোখের সামনে যুবলীগ নেতা মো. সবুজ ছৈয়ালকে বেদম মারধর করার অভিযোগ উঠেছে ইউপি চেয়ারম্যান আবু ইউসুফ ছৈয়ালের ছোট ছেলে আবু সুফিয়ানের বিরুদ্ধে।

বর্তমানে মুমূর্ষু অবস্থায় যুবলীগ নেতা সবুজকে রাজধানীর একটি হসপিটালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে (আইসিইড) রাখা হয়েছে।

রোববার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে মুঠোফোনে আইসিইউ রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করেন আহত সবুজের ভাই মিন্টু ছৈয়াল।

শনিবার সন্ধ্যা সদর উপজেলার চররমনী মোহন ইউনিয়নের (৪নং ওয়ার্ড) উত্তর চররমনী মোহন গ্রামে ছোট ব্রিজের ওপর এ বেদম পিটুনির শিকার হন সবুজ।

হামলাকারী আবু সুফিয়ান চররমনী মোহন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবু ইউসুফ ছৈয়ালের ছোট ছেলে। আবু সুফিয়ান ও আহত সবুজ ছৈয়াল সম্পর্কে চাচাতো-জেঠাতো ভাই।

সবুজ ছৈয়াল উত্তর চররমনী মোহন গ্রামের মৃত আমীর হোসেন ছৈয়ালের ছেলে ও ৪নং ওয়ার্ড যুবলীগের আহ্বায়ক।

যতটুকু খবর নিয়ে জানা গেছে, চেয়ারম্যান আবু ইউসুফ ছৈয়াল বর্তমানে যে বাড়িতে থাকেন ওই বাড়ির জায়গাজমি নিয়ে তার ভাই আমীর হোসেন ছৈয়ালের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। ধারণা করা হচ্ছে ওই জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এ হামলার শিকার হয়েছে সবুজ।

ঘটনাস্থল থেকে সবুজকে গুরুতর আহত অবস্থা উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। রাতেই পঙ্গু হাসপাতালে সবুজকে পাঠানো হয়। সবুজের মাথায় আঘাত থাকার কারণে পঙ্গু হাসপাতাল সবুজকে রাখেনি। পরে সবুজকে তার স্বজনরা ধানমন্ডি নিউ লাইফ হসপিটাল ভর্তি করেন।

যুবলীগ নেতা সবুজের স্ত্রী ফাহিমা আক্তার বলেন, মজু চৌধুরী হাটে একটি ওষুধ ফার্মেসিতে তাদের ৬ মাসের শিশুকন্যা আলিফাকে ডাক্তার দেখান। ডাক্তার দেখিয়ে (স্বামী) সবুজের সঙ্গে মোটরসাইকেল যোগে বাড়ি ফিরছিলেন (স্ত্রী) ফহিমা ও ছোট্ট শিশুকন্যা আলিফা। ছোট ব্রিজ পর্যন্ত গেলে হঠাৎ তাদের মোটরসাইকেলের সামনে বেরিগেড দেয় সুফিয়ান ও তার অনুসারীরা।

একপর্যায়ে সুফিয়ান লাথি মেরে মোটরসাইকেলটি ফেলে দেয়। এতে সবুজ, তার স্ত্রী ও মেয়ে মাটিতে পড়ে যায়। মাটিতে রেখেই সবুজকে বেদম পেটাচ্ছিলেন সুফিয়ান ও তার অনুসারীরা। হামলাকারীদের হাত থেকে স্বামী সবুজকে বাঁচাতে বহুবার সুফিয়ানের হাত-পা ধরেও রক্ষা করতে পারেননি। একসময় মাইর সহ্য না করতে পেরে খালে ঝাপ দেয় সবুজ, সেখান থেকে ও তুলে সবুজকে ইচ্ছেমতন মারে হামলাকারীরা। হামলাকারীরা মনে করছে সবুজ মারা গেছে। তারা সবুজকে ফেলে যায়। পরে সবুজের (স্ত্রী) ফাহিমা তাদের স্বজনদের খবর দিয়ে সবুজকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়।

হামলার বিষয় জানতে অভিযুক্ত আবু সুফিয়ানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, এ হামলার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ত নেই। কে বা কারা হামলা করছে তার জানা নেই।

চররমনী মোহন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবু ইউসুফ ছৈয়ালের ব্যক্তিগত মোবাইলে একাধিকবার কল দিয়েও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোসলেহ উদ্দিন জানান, বিষয়টি নিয়ে কেউ পুলিশকে খবর দেয়নি। লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শীর্ষ সংবাদ ডেস্ক

শীর্ষ সংবাদ ডেস্ক

শীর্ষ সংবাদ ডেস্ক

সর্বমোট নিউজ: 1081

Share this...
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি।
আরও দেখুন
সর্বশেষ
  • আমাদেরকে ফলো করুন…